মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগদখলের অধিকার, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন এইমাত্রঅন্যান্য সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগদখলের অধিকার, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন নির্বাচনে নেমেই বিজেপির ৩০ বছরের ঘাঁটি ভেঙে দিলেন প্রশান্ত কিশোর এইমাত্রঅন্যান্য নির্বাচনে নেমেই বিজেপির ৩০ বছরের ঘাঁটি ভেঙে দিলেন প্রশান্ত কিশোর হরমুজের আকাশে ৩ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান এইমাত্রঅন্যান্য হরমুজের আকাশে ৩ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেরণায় আমরা: মুহাম্মদ উল্লাহ এইমাত্রঅন্যান্য মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেরণায় আমরা: মুহাম্মদ উল্লাহ ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনে সমর্থন দিচ্ছে না ইংল্যান্ড এইমাত্রঅন্যান্য ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনে সমর্থন দিচ্ছে না ইংল্যান্ড নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী বুবলী এইমাত্রঅন্যান্য নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী বুবলী বাগেরহাটে চোরাইকৃত ইজিবাইক ও শ্যালো মেশিন উদ্ধার, আটক ৪ এইমাত্রঅন্যান্য বাগেরহাটে চোরাইকৃত ইজিবাইক ও শ্যালো মেশিন উদ্ধার, আটক ৪ দুর্নীতির সিন্ডিকেট দেশের ওপর চেপে বসেছে: জামায়াত এইমাত্রঅন্যান্য দুর্নীতির সিন্ডিকেট দেশের ওপর চেপে বসেছে: জামায়াত
শিক্ষা

যেসব প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে বিভাগীয় ব্যবস্থা

প্রতিবেদক: বাংলা ব্রিফ
যেসব প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে বিভাগীয় ব্যবস্থা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সিদ্ধান্ত নিয়ে কটূক্তি, অপপ্রচার কিংবা আপত্তিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করা সব সরকারি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।

অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সম্প্রতি কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পোস্ট ও মন্তব্য করছেন, যা সরকারি নির্দেশিকার পরিপন্থী। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, সরকার, সরকারি দপ্তর বা সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কটূক্তি, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, অপপ্রচার বা আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া এবং সেসব পোস্ট শেয়ার করাও সরকারি চাকরির আচরণবিধির লঙ্ঘন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ প্রেক্ষাপটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গঠিত মনিটরিং কমিটিগুলোকে আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিগুলোকে প্রতি মাসে অন্তত একটি সভা করে শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠাতে বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত চিঠি দেশের সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট এবং উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় এ নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান আচরণবিধি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের বিষয়টিও এতে পুনরায় গুরুত্ব পেয়েছে।