মূল লেখায় যান
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অন্যান্য

চোরাই মোটরসাইকেল হস্তান্তরের সময় পুলিশের উপর হামলা, আটক ১

প্রতিবেদক:
চোরাই মোটরসাইকেল হস্তান্তরের সময় পুলিশের উপর হামলা, আটক ১

যশোরের চুরি যাওয়া একটি মোটরসাইকেল উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই সেটি নিজেদের কাছে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করেন মালিক ও তাঁর সঙ্গে থাকা একদল যুবক। এতে বাধা দিলে পুলিশের এক কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেওয়া হলেও পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সেটি উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় চোরাই মোটরসাইকেল নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোরে কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর গ্রামের বাসিন্দা আশরাফুজ্জামান রুমির মোটরসাইকেলটি তাঁর বাড়ি থেকে চুরি হয়। পরে উপজেলার চিংড়া গ্রামের আবদুর রশিদের (৪০) বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেন চিংড়া পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলাম।

মোটরসাইকেল উদ্ধারের খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আশরাফুজ্জামান রুমিসহ ৪০ থেকে ৫০ জন কিশোর ও যুবক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানান। তবে এএসআই নজরুল ইসলাম আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মোটরসাইকেল বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাষ দেন।

এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত যুবকেরা এএসআই নজরুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে মারধর করেন এবং মোটরসাইকেলটি নিয়ে চলে যান।

খবর পেয়ে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে। পরে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয় এবং আবদুর রশিদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এএসআই নজরুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলটি আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মালিকের কাছে হস্তান্তরের কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু কিছু ব্যক্তি ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি সামান্য আহত হন।

কেশবপুর থানার ওসি রোকসানা খাতুন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে ৷