মূল খবরে ফিরে যান
এই প্রিভিউ আর চূড়ান্ত প্রিন্ট/PDF একই লেআউট ব্যবহার করে।
Wednesday, 04 November 2026
অন্যান্য
banglabrief.com/
সংস্করণ
04 November 2026
অন্যান্য

আজ থেকে সারাদেশে টানা ৪ দিন কম থাকবে গ্যাসের চাপ

সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আজ বুধবার থেকে টানা চারদিন সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে। তবে এ সময়ে কোথাও গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, আগামী শনিবার পর্যন্ত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে। এ কারণে জাতীয় গ্রিডে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যাবে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে।

দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ফলে প্রতিদিন গ্যাসের ঘাটতি প্রায় ১ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে আমদানি করা এলএনজি থেকে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট।

মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান সামিট এলএনজির ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে আমদানি করা গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে সামিট এলএনজি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হচ্ছে নভেম্বরের শুরুতে। শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে আরও দুই দিন ধরে চলবে এ কার্যক্রম।

পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) মো. শোয়েব জানান, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ কমবে। তবে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। এ কারণে কিছু কিছু এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে।

তিনি আরও জানান, গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। গ্রাহকদের আতঙ্কিত বা বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে গত ১ নভেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকার বিষয়টি জানিয়েছিল পেট্রোবাংলা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ায় গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

রক্ষণাবেক্ষণের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবে কি না, জানতে চাইলে মো. শোয়েব বলেন, গ্যাস লাইনে সরবরাহ স্বাভাবিকভাবে ফিরে না আসা পর্যন্ত কাজ শেষ হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা কঠিন।