সিলেটে দু’পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ১
সিলেটের গোয়াইনঘাটে পূর্ব শত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে কামরুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার লেংগুড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিনের বাড়ির পাশের নদীতীরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।
নিহত কামরুল ইসলাম লেংগুড়া গ্রামের কুতুব আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিনের অনুসারী এবং কামরুল ইসলামের পক্ষের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে সোমবার দুপুরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে বিলাল উদ্দিন ও তার মেয়ে মোছাম্মৎ রোকসানা বেগম আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের শুরুতে কামরুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে রোকসানা বেগমকে কুপিয়ে আহত করেন। এতে তার বাম হাত মারাত্মকভাবে জখম হয়।
পরে খবর পেয়ে বিলাল উদ্দিনের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাল্টা হামলা চালালে কামরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচাতো ভাই আলাউদ্দিন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তবে প্রতিপক্ষের হামলায় কামরুল নিহত হয়েছেন বলে শুনেছেন।
অন্যদিকে সাবেক ইউপি সদস্য বিলাল উদ্দিন দাবি করেন, কামরুল ও তার সহযোগীরা তার মেয়েকে কুপিয়ে আহত করে এবং পরে তিনি আক্রান্ত হন।
গোয়াইনঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
