মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ৫:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দিল নরওয়ে এইমাত্রঅন্যান্য ম্যাচের আয় ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় দিল নরওয়ে স্পেনের সঙ্গে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন মেসি এইমাত্রঅন্যান্য স্পেনের সঙ্গে ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন মেসি হালুয়াঘাটে ধারা ইউনিয়নে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু এইমাত্রঅন্যান্য হালুয়াঘাটে ধারা ইউনিয়নে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু আ. লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জবি অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাসছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা এইমাত্রঅন্যান্য আ. লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জবি অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাসছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা এইমাত্রঅন্যান্য ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা আতিফ আসলামের ঢাকা কনসার্ট চূড়ান্ত, নিশ্চিত করল আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ এইমাত্রঅন্যান্য আতিফ আসলামের ঢাকা কনসার্ট চূড়ান্ত, নিশ্চিত করল আয়োজক প্রতিষ্ঠান মেইন স্টেজ লোকগীতিতে জাতীয় সেরা সখীপুরের অনয়া এইমাত্রঅন্যান্য লোকগীতিতে জাতীয় সেরা সখীপুরের অনয়া এবার উপসাগরজুড়ে অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের এইমাত্রঅন্যান্য এবার উপসাগরজুড়ে অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের
অন্যান্য

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

প্রতিবেদক:
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সভা করেছেন দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নেতারা তাদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের দাবি জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগসহকারে তাদের বক্তব্য শোনেন। সভায় তিনি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এবং তার সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। কাউকে আলাদা মনে করেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর) অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।”

“আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেখতে হবে, আমরা আরও ভালো অবস্থানে কীভাবে থাকতে পারি।’

দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে আমি এখনো বিস্মিত হই। কেননা, ১৭ বছরে এগুলোর সমাধান হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো সমাধান করা হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।’

‘আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ এসে পড়েছে আমাদের সরকারের ওপর। এই সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।’

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর কথাও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আমাদের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার।’

‘অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।’

২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসা-সামগ্রীর ওপর আরোপিত কর হ্রাসের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রথম সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।