মূল লেখায় যান
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সারাদেশে বৃষ্টি নিয়ে দুঃসংবাদ এইমাত্রঅন্যান্য সারাদেশে বৃষ্টি নিয়ে দুঃসংবাদ ঈশা খাঁ ইউনিভার্সিটিতে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা  এইমাত্রঅন্যান্য ঈশা খাঁ ইউনিভার্সিটিতে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা  মানসিক চাপ ও ওভারথিংকিং মোকাবিলায় ড. মেছবাহ উদ্দিনের নতুন বই এইমাত্রঅন্যান্য মানসিক চাপ ও ওভারথিংকিং মোকাবিলায় ড. মেছবাহ উদ্দিনের নতুন বই যশোরের ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার হওয়া অর্ধগলিত মরদেহ কলেজ ছাত্র নিসর্গের এইমাত্রঅন্যান্য যশোরের ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার হওয়া অর্ধগলিত মরদেহ কলেজ ছাত্র নিসর্গের বছরে হাজার টন হিরে তৈরি হয় শনিতে? বিজ্ঞানীদের মডেলে মিলল নতুন ইঙ্গিত এইমাত্রঅন্যান্য বছরে হাজার টন হিরে তৈরি হয় শনিতে? বিজ্ঞানীদের মডেলে মিলল নতুন ইঙ্গিত বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নেই কোনো ট্রাফিক সিগন্যাল! তবুও কীভাবে চলে যানবাহন? এইমাত্রঅন্যান্য বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নেই কোনো ট্রাফিক সিগন্যাল! তবুও কীভাবে চলে যানবাহন? ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিরাজগঞ্জের কারাবন্দির মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিরাজগঞ্জের কারাবন্দির মৃত্যু রোনালদোর অবসরে আর্থিক সঙ্কটে পড়বে পর্তুগাল! এইমাত্রঅন্যান্য রোনালদোর অবসরে আর্থিক সঙ্কটে পড়বে পর্তুগাল!
অন্যান্য

বছরে হাজার টন হিরে তৈরি হয় শনিতে? বিজ্ঞানীদের মডেলে মিলল নতুন ইঙ্গিত

প্রতিবেদক:
বছরে হাজার টন হিরে তৈরি হয় শনিতে? বিজ্ঞানীদের মডেলে মিলল নতুন ইঙ্গিত

শনি গ্রহে প্রতিবছর প্রায় এক হাজার টন হিরে তৈরি হতে পারে—এমনই সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে একদল বিজ্ঞানীর তাত্ত্বিক গবেষণায়। তবে এটি এখনো পর্যবেক্ষণে প্রমাণিত কোনো ঘটনা নয়; বরং শনির বায়ুমণ্ডল ও অভ্যন্তরের রাসায়নিক পরিবেশ বিশ্লেষণ করে তৈরি করা একটি বৈজ্ঞানিক মডেলের ফলাফল।

গবেষকদের মতে, শনির বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের পাশাপাশি অল্প পরিমাণ মিথেনও রয়েছে। এই মিথেনই হিরে তৈরির সম্ভাব্য উৎস। তাঁদের ধারণা, শনিতে ঘন ঘন বজ্রঝড়ের সময় বজ্রপাত মিথেন অণুকে ভেঙে কার্বন কণায় পরিণত করে। পরে সেই কার্বন ধীরে ধীরে গ্রহের গভীরে নামতে থাকে।

গভীরে নামার সঙ্গে সঙ্গে চাপ ও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে। প্রথমে কার্বন গ্রাফাইটে রূপ নেয়, এরপর আরও বেশি চাপের মধ্যে তা হিরেতে পরিণত হতে পারে। বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় প্রতি বছর প্রায় এক হাজার টন হিরে সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এই হিরে দীর্ঘ সময় কঠিন অবস্থায় থাকে না বলেও ধারণা গবেষকদের। শনির আরও গভীরে তাপমাত্রা এতটাই বেশি যে, সেখানে পৌঁছে হিরে গলে তরল অবস্থায় চলে যেতে পারে। ফলে গ্রহটির গভীরে তরল হিরের স্তর বা সাগরের মতো অঞ্চলও থাকতে পারে বলে কিছু গবেষক অনুমান করছেন। যদিও এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এই ধারণার পেছনে রয়েছেন উইসকনসিন–ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক কেভিন বাইনেস ও তাঁর সহকর্মীরা। তাঁরা শনির বায়ুমণ্ডলের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য এবং পরীক্ষাগারে কার্বনের আচরণ বিশ্লেষণ করে এই মডেল তৈরি করেছেন। তাঁদের মতে, বর্তমানে শনিতে গিয়ে সরাসরি এ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব না হলেও বিদ্যমান তথ্যের ভিত্তিতে এমন সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তবে সব বিজ্ঞানী এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন। অনেকের মতে, শনির বায়ুমণ্ডলে বাস্তবে কতটা কার্বন রয়েছে এবং তা আদৌ হিরেতে পরিণত হওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি করে কি না, সে বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই শনিতে ‘হিরের বৃষ্টি’ বা বিপুল পরিমাণ হিরে তৈরির বিষয়টি এখনো নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক সত্য নয়; এটি বর্তমান তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা, যা ভবিষ্যতের গবেষণার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হতে পারে।