মূল লেখায় যান
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৭ বিলিয়ন ডলার এইমাত্রঅন্যান্য ফের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৭ বিলিয়ন ডলার ট্রাম্পকে জাগিয়ে তুলতে পেটে লুকানো বাটন চাপছেন নারী? মুখ খুললেন নিজেই এইমাত্রঅন্যান্য ট্রাম্পকে জাগিয়ে তুলতে পেটে লুকানো বাটন চাপছেন নারী? মুখ খুললেন নিজেই তীব্র লোডশেডিংয়ে বাড়তি নিরাপত্তা চায় রাজশাহীর ১৪ টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এইমাত্রঅন্যান্য তীব্র লোডশেডিংয়ে বাড়তি নিরাপত্তা চায় রাজশাহীর ১৪ টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিএনপি এইমাত্রঅন্যান্য রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিএনপি বাবার মৃত্যুতে শোকার্ত মেসির পাশে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রোনালদো এইমাত্রঅন্যান্য বাবার মৃত্যুতে শোকার্ত মেসির পাশে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রোনালদো নাগরপুরে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় এইমাত্রঅন্যান্য নাগরপুরে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ৫০ এইমাত্রঅন্যান্য বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ৫০ নন্দীগ্রামে নানা আয়োজনে দৈনিক করতোয়ার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত এইমাত্রঅন্যান্য নন্দীগ্রামে নানা আয়োজনে দৈনিক করতোয়ার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত
অন্যান্য

ফের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৭ বিলিয়ন ডলার

প্রতিবেদক:
ফের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৭ বিলিয়ন ডলার

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে ফিরেছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা ফেরায় রিজার্ভ ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১২ আগস্ট) দিন শেষে দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার।

চলতি মাসের শুরুতে ২ আগস্ট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ ছিল ৩১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে চলতি মাসে উভয় সূচকেই রিজার্ভ উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। 

তবে মোট রিজার্ভের পুরোটা ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ থাকে, সেটিই অর্থনীতির জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণভাবে ‘ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ’ হিসাব করে, যেখানে আইএমএফের এসডিআর, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব এবং আকুর বিলের মতো কিছু খাত বাদ দেওয়া হয়। যদিও এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ২৯ বিলিয়ন ডলারের মত আছে। প্রতি মাসে গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় ধরা হলে, এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণত অন্তত ৩ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভকে নিরাপদ ধরা হয়।

আওয়ামী লী‌গ সরকা‌রের শেষ সম‌য়ে অর্থ পাচার ও রেমিট্যান্স রপ্তানিতে ধীরগতির কারণে রিজার্ভ চাপে পড়ে। ওই সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল। সে সময় বৈদেশিক ঋণ ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার সংগ্রহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১ সালের আগস্টে দেশের রিজার্ভ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে ছিল। তখন প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৪ টাকা ২০ পয়সা। তবে পরবর্তী সময়ে ঋণ অনিয়ম, অর্থপাচারসহ বিভিন্ন কারণে রিজার্ভে চাপ তৈরি হয় এবং তা কমতে থাকে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় রিজার্ভ নেমে আসে ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে; আইএমএফের হিসাবে তা ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং ডলারের দাম ১২০ টাকার ওপরে উঠে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তখন আমদানিতে নানা বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়।

পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ধীরে ধীরে ডলারের বিনিময় হার বাজার ভিত্তিক করা হয়। পাশাপাশি প্রবাসী আয় বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং আমদানির ওপর বিধিনিষেধ ধাপে ধাপে শিথিল করা হয়। তুলনামূলক উদার বাণিজ্য নীতির ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করে, যা রিজার্ভ পুনরুদ্ধারে সহায়ক হয়েছে।

বর্তমন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার সময় রিজার্ভ ছিল ৩৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩০ বিলিয়ন ডলার।