মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অন্যান্য

বড় শাস্তি পেলেন ‘দোষী সাব্যস্ত’ ওয়ার্নার

প্রতিবেদক:
বড় শাস্তি পেলেন ‘দোষী সাব্যস্ত’ ওয়ার্নার

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ স্বীকার করার পর শাস্তির মুখে পড়েছেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। সিডনির ওয়েভারলি লোকাল কোর্ট তাকে ১ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা করেছে। পাশাপাশি গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে তাকে ‘ইন্টারলক ডিভাইস’ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মাঝারি মাত্রায় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে ৩৯ বছর বয়সী ওয়ার্নারের বিরুদ্ধে এ রায় দেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ইন্টারলক লাইসেন্স পাওয়ার পর তার গাড়িতে বিশেষ এই ডিভাইসটি স্থাপন করতে হবে।

ইন্টারলক ডিভাইস চালকের শ্বাসে অ্যালকোহলের উপস্থিতি পরীক্ষা করে। গাড়ি চালু করার আগে চালককে এতে শ্বাস দিতে হয়। পরীক্ষায় অ্যালকোহলের উপস্থিতি শনাক্ত হলে গাড়ির ইঞ্জিন চালু হবে না।

ঘটনাটি ঘটে গত ৫ এপ্রিল। সিডনির পূর্বাঞ্চলের একটি রোডসাইড চেকপয়েন্টে ওয়ার্নারের গাড়ি থামিয়ে অ্যালকোহল পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ফল পজিটিভ আসার পর তাকে মারৌব্রা পুলিশ স্টেশনে নেওয়া হয়। সেখানে দ্বিতীয় দফা পরীক্ষায় তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ০.১০৪ পাওয়া যায়, যা আইনসম্মত সীমার দ্বিগুণেরও বেশি।

আদালতে ওয়ার্নারের আইনজীবী আওয়াইজ আহমেদ তার মক্কেলের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হওয়ায় ওয়ার্নার ইতোমধ্যে সামাজিক ও পেশাগতভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

ইএসপিএন, আল জাজিরা ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়। এর ফলে ওয়ার্নারের ভাবমূর্তি এবং বাণিজ্যিক চুক্তিগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে আদালতকে জানান তার আইনজীবী।

আইপিএল ও বিপিএলের মতো টি-টোয়েন্টি লিগে নিয়মিত খেলা এই অস্ট্রেলিয়ান তারকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শাস্তি কমানোর আবেদন করা হলেও আদালত তা আমলে নেয়নি। জরিমানার পাশাপাশি গাড়ি চালানোর সময় ইন্টারলক ডিভাইস ব্যবহারের বাধ্যবাধকতাও বহাল রাখা হয়েছে।