মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অন্যান্য

ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম: হিন্দুস্তান টাইমস

প্রতিবেদক:
ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম: হিন্দুস্তান টাইমস

ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভারত সরকার তার নিয়োগে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসাদ আলম সিয়াম আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। তিনি বর্তমান হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হবেন। রিয়াজ হামিদুল্লাহকে জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

আসাদ আলম সিয়াম ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন। দীর্ঘ কূটনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশ ও বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি অস্ট্রিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। এর আগে ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ফিলিপাইনে বাংলাদেশের দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও এক বছরের কম সময় দায়িত্ব পালন করার পর ২০২৫ সালের জুনে পররাষ্ট্রসচিব হন।

এ ছাড়া তিনি ইতালির মিলানে বাংলাদেশের প্রথম কনসাল জেনারেল, যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে সহকারী হাইকমিশনার এবং ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডে কূটনীতিক হিসেবে কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি প্রধান প্রটোকল কর্মকর্তা, ইউরোপ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নবিষয়ক অনুবিভাগের মহাপরিচালক এবং পররাষ্ট্রসচিবের দপ্তরের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার মধ্যে নয়াদিল্লিতে আসাদ আলম সিয়ামের নিয়োগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের পরবর্তী পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর নামও আলোচনায় রয়েছে।

নয়াদিল্লিতে দায়িত্ব নেয়ার পর আসাদ আলম সিয়ামকে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের প্রস্তুতির বিষয়টিও তার দায়িত্বের অংশ হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয়কে ঘিরে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন রয়েছে। এর মধ্যেই দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।