শ্যামনগর থানার এএসআই মাসুদকে টাকা দিলেই পক্ষে নেওয়া যায় তদন্ত প্রতিবেদন
সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাসুদের টাকা দিলেই পক্ষে দিয়ে দেয় তদন্ত প্রতিবেদন। অভিযোগকারী মাছুম বিল্লাহ বলেন, আদালত থেকে ৭ ধারার একটি মামলার তদন্তভার শ্যামনগর থানায় পাঠানো হয়। সেই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এএসআই মাসুদ। মাছুম বিল্লাহ বলেন, বিবাদী ও স্বাক্ষীদের বক্তব্য পুরোপুরি গ্রহণ না করেই তিনি আমার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিয়েছেন। বিষয়টি জানতে এএসআই মাসুদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই মামলায় এই রিপোর্ট কী হবে? আমি ছুটিতে, আসলে কথা বলেন। এরপর তার সঙ্গে আর ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
শ্যামনগর থানায় যোগদানের পর থেকে এএসআই মাসুদের বিরুদ্ধে একই ধরনের আরও কয়েকটি অভিযোগের প্রমাণ রয়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে জেলহাজতে থাকা শফিকুল ইসলাম ও সাহাজানের বাড়িতে তদন্ত করতে আসে মাসুদ। কথাবার্তার একপর্যায়ে তাদের পরিবারকে এএসআই মাসুদ বলেন আগামীকাল এনআইডি কার্ডের ফটোকপি সহ কিছু টাকা নিয়ে থানায় আসেন।
বিষয়টি কারোর সাথে বলার দরকার নেই, কোন দালাল ধরার দরকার নেই। ঢাকায় সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীসহ সারা দেশে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা হয়। এই মামলায় এজাহারভুক্ত মুন্সিগঞ্জ সেন্ট্রাল কালিনগরের এক আসামির তদন্ত রিপোর্ট পক্ষ দিতে মোটা টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই মাসুদ বলেন, টাকা চাইনি। আমি তাদেরকে আইডি কার্ড নিয়ে আসতে বলেছি। আর আমি আসামি ধরার কাজে ব্যাস্ত আছি ফ্রি হয়ে কথা বলবো।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সফিউল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, এ এস আই মাসুদ ছুটিতে ছিল গতকাল (রবিবার) আসছি। বিষয়টা আমি দেখছি।
