মূল লেখায় যান
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির শঙ্কা এইমাত্রঅন্যান্য ঢাকাসহ ১৫ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির শঙ্কা রোহিঙ্গাদের চিরকাল বাস্তুচ্যুত রাখতে চায় না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য রোহিঙ্গাদের চিরকাল বাস্তুচ্যুত রাখতে চায় না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা পেজেশকিয়ানের, ট্রাম্পকে আলোচনার বার্তা এইমাত্রঅন্যান্য শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা পেজেশকিয়ানের, ট্রাম্পকে আলোচনার বার্তা তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময় সভা এইমাত্রঅন্যান্য তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময় সভা ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণা: কুয়াকাটায় রাসেলের এক বছরের কারাদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণা: কুয়াকাটায় রাসেলের এক বছরের কারাদণ্ড ১৮ তম বিজেএস পরিক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুবির ৬ শিক্ষার্থী  এইমাত্রঅন্যান্য ১৮ তম বিজেএস পরিক্ষায় জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত খুবির ৬ শিক্ষার্থী  কুমিল্লা মহাসড়কে ৪ গাড়ির সংঘর্ষ এইমাত্রঅন্যান্য কুমিল্লা মহাসড়কে ৪ গাড়ির সংঘর্ষ ৩ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট ফাঁকি কোরিয়ান মার্টের এইমাত্রঅন্যান্য ৩ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট ফাঁকি কোরিয়ান মার্টের
অন্যান্য

ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব

প্রতিবেদক:
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব

প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়মিত নতুন রেকর্ড গড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরকে ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড করা হতে পারে। শুধু তা–ই নয়, আসন্ন সুপার এল নিনো পরিস্থিতির কারণে আগামী বছরগুলোয় এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা।

একিউওয়েদারের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আসন্ন সুপার এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টকে ইতিহাসের উষ্ণতম আগস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত জুলাই বছরের উষ্ণতম মাস হলেও এ বছর আগস্ট জুলাইকে ছাড়িয়ে গেছে।

একিউওয়েদারের আবহাওয়াবিদ টাইলার রয়স জানান, বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগরের সর্বত্র এই তাপমাত্রার ব্যাপক বিস্তার লক্ষ করা যাচ্ছে। এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টির ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।

এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর ঠান্ডা ও উষ্ণ দশার মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এই উষ্ণ দশার সময় বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের এই বর্ধিত তাপশক্তি ধীরে ধীরে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং চরম আবহাওয়ার সৃষ্টি করে।

যুক্তরাষ্ট্রের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জলবায়ুসংকট মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে।

সূত্র: ডেইলি মেইল