আবারও কমলো গ্যাস সরবরাহ, দুঃখ প্রকাশ পেট্রোবাংলার
কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর ব্যাহত হচ্ছে। এতে দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে পাওয়া রূপান্তরিত গ্যাস (আরএলএনজি) সরবরাহ কমে গেছে। ফলে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিকের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এ তথ্য জানায়।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ৫৯ কোটি ঘনফুট। একই সময়ে দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ ছিল ১৬১ কোটি ঘনফুট। দুই উৎস মিলিয়ে ওই সময়ে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২২১ কোটি ঘনফুট।
সংস্থাটি জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়াও স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তখন গ্যাস সরবরাহ বাড়বে এবং দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা।
সাময়িক এই পরিস্থিতির কারণে গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
পেট্রোবাংলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর মাসে মোট ৯টি এলএনজি কার্গো কেনা হয়েছে। এসব কার্গোর মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর ব্যাহত হওয়ায় বর্তমানে সরবরাহ স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় কমে গেছে।
