কক্সবাজারে পুলিশের অভিযানে ১৭ জন গ্রেপ্তার
কক্সবাজার শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা-পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন চোর বা ছিনতাইকারী, ছয়জন মাদক সেবনকারী এবং আটজন বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধের মামলার আসামি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে শুক্রবার (২ অক্টোবর) পর্যন্ত কক্সবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সদর থানা-পুলিশের ভাষ্য, চুরি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চোর বা ছিনতাইকারী হিসেবে গ্রেপ্তার তিনজন হলেন কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম কুতুবদিয়াপাড়ার মো. ছাদেক হোসাইন (২০) ও আবদুল করিম (৩৬) এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলীর মো. ওসমান (২৪)। মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন খুরুলিয়া হিন্দুপাড়ার প্রকাশ চন্দ্র শর্মা (৪৫), পেশকারপাড়ার জালাল (৪৫), লাইট হাউসপাড়ার তাবারক হোসেন (২৫), পাহাড়তলী-ইসলামপুর এলাকার আবদুর শুক্কুর (২৫), চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার উত্তর ডেসমার টিপু দাস (২৫) এবং রামুর রশিদনগরের মো. মুহিত (২৪)। এ ছাড়া বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তারা হলেন- মহেশখালীর নতুন বাজার-সাতগরিয়াপাড়ার মো. সাহাব উদ্দিন (৩৪), ঈদগাঁওয়ের মাইঝপাড়ার কামাল (৪২), কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার নুরুল আমিন লালু (৪০), পাবনার আমিনপুরের মো. জাফর শেখ (৩৩), ভারুয়াখালীর সওদাগরপাড়ার ফয়সাল করিম ওরফে কালু (২৬), কক্সবাজার পৌরসভার পুরাতন বাহারছড়ার মালেক উদ্দিন (৫০), ৬ নম্বর ঘাট মসজিদ গলির নয়ন দে (৩৬) এবং ঘোনাপাড়ার মোহন দে (৩৫)।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাদিম আলী বলেন, কক্সবাজার শহর ও সদর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ যেকোনো ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কার বিরুদ্ধে কোন মামলায় কী অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
পুলিশের ভাষ্য, শহর ও আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
