মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গাজীপুরে শ্রমিকদলের কমিটি ঘোষণা- সভাপতি লাবলু, সাধারণ সম্পাদক কাশেম এইমাত্রঅন্যান্য গাজীপুরে শ্রমিকদলের কমিটি ঘোষণা- সভাপতি লাবলু, সাধারণ সম্পাদক কাশেম যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে: ইরান এইমাত্রঅন্যান্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে: ইরান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৩৪ বিলিয়ন ডলার এইমাত্রঅন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৩৪ বিলিয়ন ডলার রেফ্রিজারেটরের কনডেনসারে নতুন যুগ, কপারের জায়গা নিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি এইমাত্রঅন্যান্য রেফ্রিজারেটরের কনডেনসারে নতুন যুগ, কপারের জায়গা নিচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি কুমিল্লায় মাদক বিরোধী সমাবেশে মাদকের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখায় সন্ত্রাসী হামলা এইমাত্রঅন্যান্য কুমিল্লায় মাদক বিরোধী সমাবেশে মাদকের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখায় সন্ত্রাসী হামলা অর্ডার কনফার্মের পর পণ্য নিতে গিয়ে অতিরিক্ত দাম চাওয়ার অভিযোগ রায়ান্স কম্পিউটারের বিরুদ্ধে এইমাত্রঅন্যান্য অর্ডার কনফার্মের পর পণ্য নিতে গিয়ে অতিরিক্ত দাম চাওয়ার অভিযোগ রায়ান্স কম্পিউটারের বিরুদ্ধে ‘গোলমাল ৫’-এর শুটিং প্রায় শেষ, মুক্তির তারিখ নিয়ে যা জানা গেল এইমাত্রঅন্যান্য ‘গোলমাল ৫’-এর শুটিং প্রায় শেষ, মুক্তির তারিখ নিয়ে যা জানা গেল রাজপথ থেকে বঙ্গভবন: রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম এইমাত্রঅন্যান্য রাজপথ থেকে বঙ্গভবন: রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম
অন্যান্য

ইতিহাসের প্রথম জুমার জামাতে কতজন মুসল্লি ছিলেন?

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
ইতিহাসের প্রথম জুমার জামাতে কতজন মুসল্লি ছিলেন?

সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র, মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ দিন হচ্ছে জুমা। এ দিনটিকে আল্লাহতায়ালা বিশেষভাবে সম্মানিত করেছেন। পৃথিবীতে সূর্য উদিত হওয়া দিনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বরকতময় দিন হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং রাসুল (সা.)। শুধু তাই নয়, এই দিনে মুসলিম উম্মাহর জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু করণীয়, যা পালন করলে মিলবে অপার সওয়াব ও পরকালীন সফলতা।

জুমার দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো, আজানের সঙ্গে সঙ্গে আগেভাগে মসজিদে গমন করা। এ বিষয়ে মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে দ্রুত ছুটে চলো এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ত্যাগ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম—যদি তোমরা বুঝতে পারো।’ (সুরা জুমআ :৯)

এই আয়াত আমাদের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা যে, আজান হওয়া মাত্রই দুনিয়াবি কাজকর্ম বাদ দিয়ে আল্লাহর ঘরে চলে যেতে হবে। শুধু নামাজ পড়লেই হবে না, বরং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মসজিদে পৌঁছানোই কাম্য। কেননা, রাসুল (সা.) এ ব্যাপারে এমন এক পুরস্কারের কথা বলেছেন, যা কোরবানির সওয়াবের সঙ্গে তুলনীয়।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ফরজ গোসলের মতো গোসল করে এবং প্রথম প্রহরে মসজিদে যায়, সে যেন একটি উট কোরবানি করল। দ্বিতীয় প্রহরে গেলে গরু কোরবানির সওয়াব, তৃতীয় প্রহরে গেলে ভেড়া, চতুর্থ প্রহরে গেলে মুরগি এবং পঞ্চম প্রহরে গেলে ডিম কোরবানির সওয়াব পাবে। এরপর যখন ইমাম খুতবা দিতে মিম্বারে ওঠেন, তখন ফেরেশতারা আর আমল লেখেন না, তারা খুতবা শুনতে থাকেন। (বোখারি: ৮৮১)

ইতিহাসের প্রথম জুমা ও মুসল্লি

 

জুমার সূচনা ও ফরজ হয় প্রথম হিজরি থেকে। প্রিয় নবী (সা.) পবিত্র নগরী মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনার কুবায় গিয়ে অবস্থান করেন। সেখান থেকে জুমার দিন মদিনায় যাওয়ার পথে বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় পৌঁছলে জোহরের সময় হয়ে যায়। তিনি সেখানেই জুমআ আদায় করেন। ইসলামের ইতিহাসে এটাই ছিল প্রথম জুমা। এই জুমার জামাতে মুসল্লি সংখ্যা ছিল একশ জন। তবে কেউ কেউ চল্লিশ জনের কথাও বলে থাকেন। (বোখারি ১ম খণ্ড : পৃ. ৪৫৫-৫৬০, ইবনে হিশাম ১ম খণ্ড : পৃ. ৪৯৪)

উল্লেখ্য, হিজরতের পর জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার আগে বিশ্বনবী (সা.) নবুয়তের ১২তম বর্ষে মদিনায় নাকিউল খাজিমাতে ২ রাকাআত জুমা পড়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে হজরত আসআদ বিন জুরারাহ (রা.) ইমামতিতে শুক্রবার সে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। আর সেটি ছিল নফল নামাজ।

এ প্রসঙ্গে মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় আগমনের পর এবং জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার আগে একবার মদিনার আনসারগণ একত্রিত হয়ে আলোচনা করলেন যে, ইয়াহুদিদের জন্য সপ্তাহে একটা দিন নির্দিষ্ট আছে, যে দিনে তারা সকলে একত্র হয়।

আর নাসারাদেরও সপ্তাহে সবার একত্রিত হওয়ার জন্য একদিন নির্ধারিত আছে। সুতরাং আমাদের জন্য সপ্তাহে একটা দিন নির্দিষ্ট হওয়া প্রয়োজন, যে দিনে আমরা সবাই সমবেত হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করব, নামাজ আদায় করব। অতপর তারা আলোচনাকালে বললেন, শনিবার ইহুদিদের আর রোববার নাসাদের জন্য নির্ধারিত। অবশেষে তারা ‘ইয়াওমুল আরুবা’ (শুক্রবার)-কে গ্রহণ করলেন এবং তারাই এদিনকে ‘জুমার দিন’ নামকরণ করলেন। (দরসে তিরমিজি ২/১৯২-এর সূত্রে মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক : ৩/১৫৯, হাদিস : ৫১৪৪)