মূল লেখায় যান
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যশোরে ২৭ হাজার ইয়াবাসহ নাভারণের রিপন আটক এইমাত্রঅন্যান্য যশোরে ২৭ হাজার ইয়াবাসহ নাভারণের রিপন আটক যশোরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী-এমপিসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, আটক ১ এইমাত্রঅন্যান্য যশোরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী-এমপিসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, আটক ১ এইমাত্রঅন্যান্য ২৯ দিনে এল ৩২ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স এইমাত্রঅন্যান্য হত্যার হুমকি, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লেন নেতানিয়াহুর ছেলে কথা বললেই চাকরি নেই, কষ্ট-যন্ত্রণা যেন নিত্যসঙ্গী ফুডপান্ডা রাইডারদের এইমাত্রঅন্যান্য কথা বললেই চাকরি নেই, কষ্ট-যন্ত্রণা যেন নিত্যসঙ্গী ফুডপান্ডা রাইডারদের এইমাত্রঅন্যান্য ৮ বছর পর মোটরসাইকেল চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, ৩ খুনিকে গ্রেপ্তার সন্তান বিক্রির পর আইফোন কেনা সেই বাবা আটক এইমাত্রঅন্যান্য সন্তান বিক্রির পর আইফোন কেনা সেই বাবা আটক তরুণদের ক্ষমতায়নে ১৫ জন ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ দিলো অপো এইমাত্রঅন্যান্য তরুণদের ক্ষমতায়নে ১৫ জন ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ দিলো অপো
বিনোদন

দেশেই আছেন ডন-সামিরা

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
দেশেই আছেন ডন-সামিরা

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের অমর নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য এখনো কাটেনি। প্রায় ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও ঘটনাটিকে ঘিরে চলছে বিতর্ক ও নতুন তদন্ত। সবশেষ তার অপমৃত্যু মামলাটিকে ‘হত্যা মামলা’ হিসেবে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সালমান শাহ হত্যা মামলার দুই আলোচিত আসামি ‘সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক ও বাংলা চলচ্চিত্রের আলোচিত খলনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল হক ডন’ দেশে আছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তবে তাদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

এ প্রসঙ্গে ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ‘এজাহারে যাদের নাম আছে, তদন্তের স্বার্থে আমরা তাদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করছি। শনাক্ত করতে পারলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।’

আদালত ইতোমধ্যে আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অন্যদিকে সামিরার স্বামী সম্প্রতি তার আগাম জামিনের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন।

বিগত ২৯ বছরে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করেছে ৪টি আলাদা তদন্ত সংস্থা। তাদের প্রত্যেকেই ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেয়। তবুও ২১ অক্টোবর আদালতের নির্দেশে রমনা থানায় নতুন করে হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা। মামলায় সামিরা, ডন, বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সালমান শাহর মরদেহে রক্তের দাগ দেখার দাবি করেছিলেন তার মা। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ সহকারী মোহাম্মদ সেকেন্দার।

তিনি বলেন, ‘সেই সময় গলায় যে দাগ ছিল, তা নোট করা হয়। পুরো শরীরের লক্ষণ দেখে ডাক্তার নিখুঁতভাবে ময়নাতদন্ত করেছেন। নিয়ম মেনে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে কেটে সেলাই করা হয়েছে।’

এ সময় গলায় রক্তের দাগ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘মৃত্যুর আগে রক্ত থাকলে সেটির ছবি নিশ্চয়ই তোলা হয়েছিল, সেটা থাকলে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তবে ময়নাতদন্তের পর রক্ত লাগলে সেটা আলাদা বিষয়।’

১৯৯৭ সালে মামলার ১১ নম্বর আসামি রেজভি আহমেদ ফরহাদের জবানবন্দি আবারও নতুন করে সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্যকে ত্বরান্বিত করে উঠে এসেছে আলোচনায়।

তিনি দাবি করেন, ‘সালমান শাহকে হত্যা করে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে সাজানো হয়েছিল।‘ এসময় রেজভি তার নিজের জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন বলে জানা যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার সকল দিক পর্যালোচনা করে নতুন করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে এবার কতটা অগ্রগতি হয়, তা দেখার অপেক্ষায় পুরো বাংলাদেশের সালমান ভক্তরা।