মূল লেখায় যান
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খেলা

২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালেন মেসি

প্রতিবেদক: বাংলা ব্রিফ
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালেন মেসি

অসংখ্য রেকর্ডের মালিক লিওনেল মেসি ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে গড়েছেন আরেকটি অনন্য কীর্তি বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে তিনি ছয়টি বিশ্বকাপে খেলেছেন। একদিন পর সেই রেকর্ডে ভাগ বসান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে মাঠের পারফরম্যান্সে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন মেসি, আলজেরিয়ার বিপক্ষে নিজের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক করে তিনি নতুন করে শিরোনামে আসেন।

চার দিন পর ৩৯ বছরে পা দেবেন মেসি, আর রোনালদো ইতিমধ্যেই ৪১ বছর অতিক্রম করেছেন। ফলে ২০৩০ বিশ্বকাপে তাদের অংশগ্রহণ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। পর্তুগালে অনুষ্ঠিতব্য সেই আসরে রোনালদোর খেলা নিয়ে জল্পনা থাকলেও মেসি বিষয়টি স্পষ্টভাবে নাকচ করে দিয়েছেন।

আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘ওলে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, “না, সপ্তম বিশ্বকাপ খেলার কোনো সম্ভাবনা নেই। এটা আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি।”

দীর্ঘ সময় ধরে শীর্ষ পর্যায়ে খেলার রহস্য নিয়েও কথা বলেন তিনি। মেসির ভাষায়, “আমি সবসময় ফুটবলের মধ্যেই থেকেছি, প্রতিযোগিতা করেছি এবং নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। শারীরিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত রেখেছি, যাতে বিশ্বকাপে দলকে সর্বোচ্চ সাহায্য করতে পারি। আমাদের দলে অসাধারণ খেলোয়াড় আছে, এখানে প্রতিযোগিতা তীব্র—টিকে থাকতে হলে সর্বোচ্চ ফর্মে থাকতে হয়। এটাই আমাদের শক্তি।”

২০৩০ বিশ্বকাপ হবে ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ এক আসর, কারণ বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ছয়টি দেশ এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। মূল আয়োজক দেশ হিসেবে থাকবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। পাশাপাশি শতবর্ষ উপলক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে।

তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব বেশি ভাবছেন না মেসি। ক্লাব, জাতীয় দল ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রায় সব বড় অর্জনই ইতিমধ্যে তার ঝুলিতে। তাই এখন তিনি প্রতিটি মুহূর্তকে দেখছেন বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে।

তার ভাষায়, “ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ক্লাব, জাতীয় দল এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে সব বড় অর্জনই করতে পেরেছি। তাই এখন যা কিছু আসবে, সবই আমার কাছে বোনাস।”

কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকেই মেসির প্রাপ্তির ঝুলিতে নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। বয়স বাড়লেও মাঠে তার উপস্থিতি ও পারফরম্যান্স এখনো বিশ্ব ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি ফিফার অফিসিয়াল পারফরম্যান্স সূচকে আলজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের পর আক্রমণ বিভাগে সর্বোচ্চ রেটিং পেয়ে শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।