মূল লেখায় যান
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত কর্মীর লাশ’, দাবি গুজব: পুলিশ এইমাত্রঅন্যান্য ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত কর্মীর লাশ’, দাবি গুজব: পুলিশ প্রেম করে বিয়ে, ১০ দিন পর স্ত্রীকে আটকে রাখার অভিযোগ স্বামীর এইমাত্রঅন্যান্য প্রেম করে বিয়ে, ১০ দিন পর স্ত্রীকে আটকে রাখার অভিযোগ স্বামীর শতবর্ষী বটগাছ রক্ষার দাবি সোয়ানের, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ গ্রহণ এইমাত্রঅন্যান্য শতবর্ষী বটগাছ রক্ষার দাবি সোয়ানের, জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ গ্রহণ জুড়ীতে ছেলের কুড়ালের আঘাতে বাবা নিহত, ছেলে পলাতক এইমাত্রঅন্যান্য জুড়ীতে ছেলের কুড়ালের আঘাতে বাবা নিহত, ছেলে পলাতক বরগুনার বামনায় পুকুরের ডুবে মামা-ভাগ্নের মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনার বামনায় পুকুরের ডুবে মামা-ভাগ্নের মৃত্যু স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না: জামায়াত আমির এইমাত্রঅন্যান্য স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না: জামায়াত আমির তিস্তা ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহায়তার আশ্বাস চীনের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য তিস্তা ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহায়তার আশ্বাস চীনের: পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিক আলমকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের এইমাত্রঅন্যান্য সাংবাদিক আলমকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ তাহিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের
অন্যান্য

জমি নিয়ে বিরোধে চাচা-চাচাতো ভাইদের সাথে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

প্রতিবেদক:
জমি নিয়ে বিরোধে চাচা-চাচাতো ভাইদের সাথে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ধওলাই এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচা ও চাচাতো ভাইদের হামলায় আব্দুল জলিল (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার(২৭ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ধওলাই গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল জলিল ওই এলাকার আলকেস আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধওলাই এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে সাদ্দামের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই আব্দুল জলিলের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। জলিল মূলত জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকতেন। সম্প্রতি তিনি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে আসার পর এই বিরোধ পুনরুজ্জীবিত হয়। জমিজমা নিয়ে চাচা আব্দুর রাজ্জাক, আশরাফ আলী এবং চাচাতো ভাই সাদ্দামের সঙ্গে তাঁর নতুন করে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে চাচা আব্দুর রাজ্জাক ও চাচাতো ভাই সাদ্দামসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে আব্দুল জলিলসহ জলিলের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। তাদের এলোপাতাড়ি পিটুনিতে জলিল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় জলিলের মা, ভাইসহ আহত হন আরো তিনজন।

পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জলিলকে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ব্যবস্থা করে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রমজান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ওসি জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক। তবে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুতই তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।