মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হাতের চাপেই ভেঙে যাচ্ছে নদীর পাড় রক্ষা বাঁধের ব্লক এইমাত্রঅন্যান্য হাতের চাপেই ভেঙে যাচ্ছে নদীর পাড় রক্ষা বাঁধের ব্লক গৌরীপুরে ভোটার হতে এসে আটক রোহিঙ্গা যুবক, ১ লাখ টাকার চুক্তি দাবি এইমাত্রঅন্যান্য গৌরীপুরে ভোটার হতে এসে আটক রোহিঙ্গা যুবক, ১ লাখ টাকার চুক্তি দাবি বগুড়ায় এতিম ছাত্রকে উল্টো করে ঝুলিয়ে নির্যাতন, অভিযুক্ত শিক্ষকরা পলাতক এইমাত্রঅন্যান্য বগুড়ায় এতিম ছাত্রকে উল্টো করে ঝুলিয়ে নির্যাতন, অভিযুক্ত শিক্ষকরা পলাতক সানার প্রথম গোলেই ধাক্কা, পিছিয়ে থেকে বিরতিতে ব্রাজিল এইমাত্রঅন্যান্য সানার প্রথম গোলেই ধাক্কা, পিছিয়ে থেকে বিরতিতে ব্রাজিল ঢাবির ১ হাজার ৩৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ, অর্ধেকের বেশি বরাদ্দ বেতন-ভাতায় এইমাত্রঅন্যান্য ঢাবির ১ হাজার ৩৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ, অর্ধেকের বেশি বরাদ্দ বেতন-ভাতায় স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক এইমাত্রঅন্যান্য স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশের রিজার্ভ এইমাত্রঅন্যান্য নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশের রিজার্ভ ‘রোনালদোর খেলা পর্তুগালের ক্ষতি করছে’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘রোনালদোর খেলা পর্তুগালের ক্ষতি করছে’
অন্যান্য

তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার

প্রতিবেদক:
তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার

উজান থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা পানিবৃদ্ধিতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আবারও বাড়ছে তিস্তার ভয়াল রূপ। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ৭৬ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেছে। আর পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তীব্র হচ্ছে নদীভাঙন।

একের পর এক বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকার শেষ সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় শতাধিক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। স্থানীয়দের আশঙ্কা, আজ সন্ধ্যার মধ্যেই তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেল ৫টা থেকে সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ৭৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন শুরু হয়েছে। কোথাও বসতবাড়ি, কোথাও আবাদি জমি, আবার কোথাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই নদী গিলে খাচ্ছে মানুষের বহু বছরের সঞ্চয়ে গড়া স্বপ্ন।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের কালির খামার গ্রামের শখের বাজার, হরিপুর ইউনিয়নের চর চরিতাবাড়ী, রাঘব, চণ্ডীপুর ইউনিয়নের উত্তর সীচা, কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার, কেরানীর চর, মিন্টু মিয়ার চর ও বাদামের চর এলাকা। এসব এলাকায় ইতোমধ্যে অন্তত দুই শতাধিক পরিবারের বসতভিটা এবং দেড় শতাধিক বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনজু মিয়া বলেন, “আমার ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের লালচামার এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেরানীর চরে ভয়াবহ ভাঙন চলছে। অব্যাহত ভাঙনে অন্তত ২০০ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়েছে। শতাধিক বিঘা ফসলি জমিও নদীতে বিলীন হয়েছে। মানুষ এখন চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।”

ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি বছরই একই দুর্ভোগের শিকার হলেও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে অনেক পরিবার একাধিকবার বসতভিটা হারিয়েছে। এখন আবারও তারা খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়ের শঙ্কায় দিন গুনছেন।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, “পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের ২০ থেকে ২৫টি স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চলছে।”