মূল লেখায় যান
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তদন্তে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল প্রমাণিত, কেন বহিস্কার করা হবে না জবাব চেয়েছে মন্ত্রণালয় এইমাত্রঅন্যান্য তদন্তে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল প্রমাণিত, কেন বহিস্কার করা হবে না জবাব চেয়েছে মন্ত্রণালয় সুপার শপকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, ম্যানেজারের কারাদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য সুপার শপকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, ম্যানেজারের কারাদণ্ড বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের দুঃসংবাদ এইমাত্রঅন্যান্য বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের দুঃসংবাদ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বদলির নির্দেশ, ডিএফওকে মন্ত্রীর ফোন এইমাত্রঅন্যান্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বদলির নির্দেশ, ডিএফওকে মন্ত্রীর ফোন ঋণ দেওয়ার নামে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে উধাও এনজিও এইমাত্রঅন্যান্য ঋণ দেওয়ার নামে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে উধাও এনজিও সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৪ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার, সতর্কতা জারি এইমাত্রঅন্যান্য সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৪ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার, সতর্কতা জারি পোস্টার নৈরাজ্য: ‘মুন্না স্যার’ ও এসপায়ারিং বাংলাদেশ’ নামক কোচিং সেন্টারকে অর্থদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য পোস্টার নৈরাজ্য: ‘মুন্না স্যার’ ও এসপায়ারিং বাংলাদেশ’ নামক কোচিং সেন্টারকে অর্থদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে মাদক কারবারির বাড়ি থেকে ১৭ ফিট উচ্চতার গাঁজা গাছ উদ্ধার, আটক ১ এইমাত্রঅন্যান্য ভূরুঙ্গামারীতে মাদক কারবারির বাড়ি থেকে ১৭ ফিট উচ্চতার গাঁজা গাছ উদ্ধার, আটক ১
অন্যান্য

স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক

প্রতিবেদক:
স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক

দেশের প্রযুক্তিখাতের ব্যবসায়ী ও স্মার্ট টেকনোলজিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দেশের বাইরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে ব্যবসা পরিচালনার একটি অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এটি মূলত একটি প্রাথমিক পর্যায়ের অভিযোগ এবং বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করতে এখনো তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অভিযোগের তির মূলত জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলামের দিকে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে তারা সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ের মতো বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে একাধিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও তথ্যের বরাতে জানা যায়, এই কথিত প্রতিষ্ঠানগুলোর পেছনে যে মূলধন বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং সেখান থেকে যে আয় অর্জিত হচ্ছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট বিবরণী বা দাপ্তরিক রেকর্ড বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাতিষ্ঠানিক নথিতে এখনো পাওয়া যায়নি। সরকারের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন ব্যতিরেকেই দেশের বাইরে এই ব্যবসাগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে কি না, তা মূলত খতিয়ে দেখার চেষ্টা চলছে। তবে এসব দাবির পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো নথিপত্র বা অকাট্য প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলেই তাকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না, যতক্ষণ না তা আদালতে প্রমাণিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র মারফত জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে দুদক এই অভিযোগের ওপর একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করলেও এখন পর্যন্ত এর সুনির্দিষ্ট কোনো আইনি ফলাফল বা দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।

যেহেতু পুরো বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর্যায়ে রয়েছে, তাই অভিযোগের সত্যতা বা আইনি সম্পৃক্ততার বিষয়টি এখনো পুরোপুরি অপ্রমাণিত অবস্থায় রয়েছে। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অভাব এবং দীর্ঘদিনের ধীরগতির কারণে এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে এখনই সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।