মূল লেখায় যান
বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরগুনায় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত উপজেলা প্রশাসন, সতর্ক অবস্থানে বিভিন্ন সংস্থা এইমাত্রঅন্যান্য বরগুনায় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত উপজেলা প্রশাসন, সতর্ক অবস্থানে বিভিন্ন সংস্থা প্রেমের টানে ঢাকা থেকে পাংশায় পঞ্চম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রেমিক-প্রেমিকা এইমাত্রঅন্যান্য প্রেমের টানে ঢাকা থেকে পাংশায় পঞ্চম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রেমিক-প্রেমিকা জবি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক আইনুল ইসলাম এইমাত্রঅন্যান্য জবি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন অধ্যাপক আইনুল ইসলাম অগ্নি ও ভূমিকম্প ঝুঁকি কমাতে হাসপাতাল পরিদর্শন জোরদার করছে রাজউক এইমাত্রঅন্যান্য অগ্নি ও ভূমিকম্প ঝুঁকি কমাতে হাসপাতাল পরিদর্শন জোরদার করছে রাজউক মন্ত্রিসভায় উঠছে পে-স্কেল, বেতন বাড়তে পারে ১০০% পর্যন্ত! এইমাত্রঅন্যান্য মন্ত্রিসভায় উঠছে পে-স্কেল, বেতন বাড়তে পারে ১০০% পর্যন্ত! ২ গোলে পিছিয়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা এইমাত্রঅন্যান্য ২ গোলে পিছিয়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ঢাবিতে বড়পর্দায় বিশ্বকাপ ম্যাচ সম্প্রচার বন্ধ এইমাত্রঅন্যান্য ঢাবিতে বড়পর্দায় বিশ্বকাপ ম্যাচ সম্প্রচার বন্ধ পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি করলে ৫ বছরের জেল, নতুন আইন পাস এইমাত্রঅন্যান্য পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি করলে ৫ বছরের জেল, নতুন আইন পাস
অন্যান্য

কুমিল্লায় ৯ বছরের শিশুর উপর অমানুষিক নির্যাতন

প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় ৯ বছরের শিশুর উপর অমানুষিক নির্যাতন

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের ৯ বছর বয়সী শিশু আবুবকরের ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ তুলে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শিশুটির বাবা মো. আব্দুল লতিফ।

মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বশত্রুতার জেরে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে শ্রীমদ্দি গ্রামের শফিউল্লাহ আরিফ, আছমা তৈয়ব, আলী শাহাদাত ও জুনাইদসহ কয়েকজন তার ৯ বছর বয়সী ছেলে আবুবকরের ওপর হামলা চালান। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় শিশুটিকে এলোপাতাড়ি মারধর করে মাটিতে আছড়ে ফেলা হয় এবং ঘাড় ও চোখে গুরুতর আঘাত করা হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে আবুবকরকে গৌরীপুর এবং পরে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার করে আইসিইউতে চিকিৎসাসহ দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে শিশুটি প্রাণে বেঁচে গেলেও প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেছে এবং তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তিও নষ্ট হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। সংবাদ সম্মেলনে মো. আব্দুল লতিফ বলেন, ছেলের চিকিৎসায় ইতোমধ্যে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। যার অধিকাংশই ঋণ ও ধারদেনা করে সংগ্রহ করতে হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেননি। পরে ৭ এপ্রিল ২০২৬ কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৪ নম্বর আমলি আদালতে সিআর মামলা নং-২৩১/২৬ দায়ের করেন। তবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সামাজিক বিচারকরা বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দেওয়ায় তিনি মামলার কার্যক্রম আর এগিয়ে নেননি। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো সামাজিক বিচার না হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন। আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার ৯ বছরের ছেলে যে একসময় স্কুলে যেত বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করত পৃথিবীর সৌন্দর্য উপভোগ করত সে আজ বিছানায় অসহায়ভাবে পড়ে আছে। একজন বাবা হিসেবে এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

তিনি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে তার সন্তানের বিচার প্রার্থনার আবেদন দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এছাড়া তিনি তার সন্তানের জন্য ন্যায়বিচার চান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন।