মূল লেখায় যান
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রথমবারের মতো ইরানে একটি রাত নতুন কোনো মার্কিন বিমান হামলা ছাড়াই কেটেছে এইমাত্রঅন্যান্য প্রথমবারের মতো ইরানে একটি রাত নতুন কোনো মার্কিন বিমান হামলা ছাড়াই কেটেছে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘নউল’, আঘাত হানতে পারে যেখানে এইমাত্রঅন্যান্য ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘নউল’, আঘাত হানতে পারে যেখানে ফেরি থেকে পদ্মায় ঝাঁপ দেওয়া লাইজু জীবিত উদ্ধার এইমাত্রঅন্যান্য ফেরি থেকে পদ্মায় ঝাঁপ দেওয়া লাইজু জীবিত উদ্ধার চট্টগ্রামে শীর্ষ মাদক কারবারী আলমগীরকে গ্রেপ্তার : অভিযানকালে ৭ পুলিশ সদস্য আহত এইমাত্রঅন্যান্য চট্টগ্রামে শীর্ষ মাদক কারবারী আলমগীরকে গ্রেপ্তার : অভিযানকালে ৭ পুলিশ সদস্য আহত ‘তেলাপোকাদের’ চিহ্নিত করে গুন্ডা দমন আইনে মামলার ঘোষণা শুভেন্দুর এইমাত্রঅন্যান্য ‘তেলাপোকাদের’ চিহ্নিত করে গুন্ডা দমন আইনে মামলার ঘোষণা শুভেন্দুর যেকোনো মূল্যে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য যেকোনো মূল্যে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ২০৫০ সালের মধ্যে ১৯ লাখ গাঁট তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের এইমাত্রঅন্যান্য ২০৫০ সালের মধ্যে ১৯ লাখ গাঁট তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের পঞ্চগড় ইসলামী আন্দোলন জেলার নতুন সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সুলতান মাহমুদ এইমাত্রঅন্যান্য পঞ্চগড় ইসলামী আন্দোলন জেলার নতুন সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সুলতান মাহমুদ
অন্যান্য

২০৫০ সালের মধ্যে ১৯ লাখ গাঁট তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের

প্রতিবেদক:
২০৫০ সালের মধ্যে ১৯ লাখ গাঁট তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের

দেশে তুলার আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে ২০৫০ সালের মধ্যে দেশীয় তুলার আঁশ উৎপাদন ১৯ লাখ গাঁটে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ২ লাখ ২৪ হাজার গাঁট তুলার আঁশ উৎপাদিত হয়, যা মোট চাহিদার মাত্র ১৬-১৭ শতাংশ পূরণ করে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন ৫ লাখ গাঁটে এবং ২০৫০ সালে ১৯ লাখ গাঁটে উন্নীত করা হবে।

শনিবার (২৫ জুলাই) তুলা উন্নয়ন বোর্ডের (সিডিবি) উপ-পরিচালক কুতুব উদ্দিন জানান, হাইব্রিড জাত উদ্ভাবন, তুলা চাষের জমি বাড়ানো এবং কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ার মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। তিনি বলেন, চরাঞ্চল, বরেন্দ্র অঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকার অনাবাদি বা খাদ্যশস্যের জন্য অনুপযোগী জমিতে তুলা চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হলেও প্রায় ২ লাখ হেক্টর জমিকে এ চাষের আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলেই তুলার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বছরে প্রায় ৯০ লাখ গাঁট কাঁচা তুলার প্রয়োজন হয়। এর বড় অংশই আমদানি করতে হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৭৩ লাখ গাঁট কাঁচা তুলা আমদানিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। সিডিবির মতে, শুধু ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা গেলেই বছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার তুলা চাষিদের প্রণোদনা, কৃষক কার্ডের আওতায় অন্তর্ভুক্তি, বিশেষ কৃষিঋণ ও কার্বন ট্রেডিং উদ্যোগসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তুলা চাষে প্রণোদনার জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আওতায় ২৬ জেলার প্রায় ২৫ হাজার প্রান্তিক কৃষক উন্নতমানের বীজ, সার ও কীটনাশক পাবেন।

তবে নীতিগত সীমাবদ্ধতা, জলবায়ু পরিবর্তন, জমির সংকট, কীটপতঙ্গের আক্রমণ এবং অন্যান্য লাভজনক ফসলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা তুলা উৎপাদনের প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন সিডিবির কর্মকর্তারা। তাদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত বীজ এবং সরকারের ধারাবাহিক সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে তুলা উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব হবে।