মূল লেখায় যান
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী গণবিক্ষোভ, প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী গণবিক্ষোভ, প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ আরাকান আর্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসার তথ্য নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য আরাকান আর্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসার তথ্য নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোকা-কোলার রিটেইল ডিস্ট্রিবিউশন কার্যক্রমে অপারেশনাল এক্সেলেন্স নিশ্চিত করছে প্রিয়শপ এইমাত্রঅন্যান্য কোকা-কোলার রিটেইল ডিস্ট্রিবিউশন কার্যক্রমে অপারেশনাল এক্সেলেন্স নিশ্চিত করছে প্রিয়শপ আন্তর্জাতিক চিত্রকর্ম প্রতিযোগিতায় ঢাবি শিক্ষার্থীর শিল্পকর্ম সেরা হিসেবে নির্বাচিত এইমাত্রঅন্যান্য আন্তর্জাতিক চিত্রকর্ম প্রতিযোগিতায় ঢাবি শিক্ষার্থীর শিল্পকর্ম সেরা হিসেবে নির্বাচিত বিএসটিআইয়ের অভিযানে হায়ার বাংলাদেশকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এইমাত্রঅন্যান্য বিএসটিআইয়ের অভিযানে হায়ার বাংলাদেশকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এমপি আজমের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে ৯০টি স্প্রে মেশিন বিতরণ এইমাত্রঅন্যান্য এমপি আজমের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে ৯০টি স্প্রে মেশিন বিতরণ কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শেরপুরে পেয়ারা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য শেরপুরে পেয়ারা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু
অন্যান্য

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

প্রতিবেদক:
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

বাংলা একাডেমির সভাপতি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। তিনি জানান, রোববার দুপুর আড়াইটা থেকে ৩টার মধ্যে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা যান।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের জন্ম ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাকুন্দিয়া গ্রামে। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রায় চার দশক অধ্যাপনা করেছেন এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার আন্দোলন ও প্রচেষ্টায় তিনি ছিলেন অন্যতম সক্রিয় কণ্ঠস্বর। তিনি ‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ নামে দুটি সাময়িকপত্র সম্পাদনা করেন। পাশাপাশি তার রচিত ও সম্পাদিত অসংখ্য গ্রন্থ বাংলা সাহিত্য ও চিন্তাচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছে।

তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘রাজনীতি দর্শন’, ‘সাহিত্য চিন্তা’ এবং ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’। এছাড়া তার রচিত ও সম্পাদিত ২০টিরও বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। সম্পাদিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘স্বদেশচিন্তা’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ লেখক শিবির পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ১৯৮১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন।