নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে কারাদণ্ড, প্রাথমিক শিক্ষক বরখাস্ত
অন্যের হয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি (প্রতিনিধি) দিয়ে কারাদণ্ড পাওয়ার পর ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের প্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জুয়েল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে ‘জারিকারক’ পদের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করে অন্য পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে অংশ নেন জুয়েল রানা। বিষয়টি ধরা পড়লে তাঁকে হাতেনাতে ঢাকার লালবাগে আটক করা হয়। পরে ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান।
ঘটনাটি গোপন রেখে জুয়েল রানা অসুস্থতার অজুহাতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানাজানি হলে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তাঁকে শোকজ করা হয়। শোকজের জবাব না দেওয়ায় সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এক আদেশে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
প্রায়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম বলেন, জুয়েল আমার কাছ থেকে দুই দিনের ছুটি নেয়। এরপর ছুটি শেষে বিদ্যালয়ে না আসায় আমি তার পরিবারের কাছে খোঁজ নিতে যাই। তখন তার বাবা বলেন, জুয়েল অসুস্থ সে রংপুর হাসপাতালে ভর্তি। পরে বিষয়টি আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
রাণীশংকৈল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, সরকারি বিধিমালা ভঙ্গ ও ফৌজদারি অপরাধে জড়িত থাকায় জুয়েল রানাকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থার জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
