মূল লেখায় যান
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বুড়িচংয়ে ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, লাশ গোপন রাখার চেষ্টা এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, লাশ গোপন রাখার চেষ্টা ভূখণ্ড অতিক্রম করে বাংলাদেশে বিএসএফ, গ্রামবাসীদের বাধায় অস্ত্র ফেলে পলায়ন এইমাত্রঅন্যান্য ভূখণ্ড অতিক্রম করে বাংলাদেশে বিএসএফ, গ্রামবাসীদের বাধায় অস্ত্র ফেলে পলায়ন ‘তোমরা লিখবা, আমরা পেটাবো’, ৩ সাংবাদিককে মারধরের পর যুবদল নেতার হুমকি এইমাত্রঅন্যান্য ‘তোমরা লিখবা, আমরা পেটাবো’, ৩ সাংবাদিককে মারধরের পর যুবদল নেতার হুমকি জামায়াত আমিরের সঙ্গে ডাচ রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, আলোচনায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এইমাত্রঅন্যান্য জামায়াত আমিরের সঙ্গে ডাচ রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, আলোচনায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা গুরুদাসপুরে হামলার শিকার দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজ এইমাত্রঅন্যান্য গুরুদাসপুরে হামলার শিকার দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজ ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুখবর এইমাত্রঅন্যান্য ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুখবর সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন ফের নাকচ, রিমান্ড শুনানি বৃহস্পতিবার এইমাত্রঅন্যান্য সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন ফের নাকচ, রিমান্ড শুনানি বৃহস্পতিবার সিগারেটের দাম বৃদ্ধিতে জুলাইয়ে রাজস্ব আদায় ৪৫ শতাংশ কমেছে এইমাত্রঅন্যান্য সিগারেটের দাম বৃদ্ধিতে জুলাইয়ে রাজস্ব আদায় ৪৫ শতাংশ কমেছে
অন্যান্য

বামনায় গভীর রাতে আগুনে চার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত, তিনটি ভস্মীভূত

প্রতিবেদক:
বামনায় গভীর রাতে আগুনে চার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত, তিনটি ভস্মীভূত

বরগুনার বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে গিয়ে আরও একটি ঘর ভেঙে সরিয়ে ফেলতে হয়েছে। এতে মোট চারটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাত শেষে শনিবার ভোররাত ১টার দিকে জিন্নাত হাওলাদারের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, এতে তাদের ৩৫ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, জিন্নাত হাওলাদারের বাড়িতে নয়টি বসতঘর রয়েছে। রাত গভীর হলে হঠাৎ আলতাফ হাওলাদারের ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের ঘরগুলোতে। আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা।

আগুনের লেলিহান শিখায় একে একে পুড়ে যায় তিনটি বসতঘর। অগ্নিকাণ্ডে আলতাফ হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার ও রনি হাওলাদারের বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এছাড়া মন্টু হাওলাদারের ঘরেও আগুন ছড়িয়ে পড়লে বড় ধরনের ক্ষতি এড়াতে ঘরটির একটি অংশ ভেঙে সরিয়ে ফেলা হয়। এতে তার বসতঘরটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাড়ির বাসিন্দা জয় হাওলাদার জানান, রাত ১টার দিকে আলতাফ হাওলাদারের ঘর থেকে আগুনের শব্দ ও চিৎকার শুনে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে আগুনের ভয়াবহতা দেখে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে বামনা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় একই বাড়ির আরও ছয়টি বসতঘর আগুনের হাত থেকে রক্ষা পায়। ক্ষতিগ্রস্ত আলতাফ হাওলাদার কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। রনি হাওলাদার ঢাকায় থাকেন, তার ঘরে তার বোন বসবাস করতেন। মন্টু হাওলাদার আনসার বাহিনীর সদস্য হওয়ার পাশাপাশি দিনমজুরের কাজ করেন। তবে ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হয়েছে সোহাগ হাওলাদারের পরিবার। সোহাগের বাবা নেই। কৃষিনির্ভর এ পরিবারের একমাত্র বসতঘরটি আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সোহাগের পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল। ফলে ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ধান-চাল, পোশাকসহ কোনো মালামালই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত চার পরিবারের মধ্যে সোহাগ হাওলাদারের পরিবারের আর্থিক ক্ষতি সবচেয়ে বেশি।

বামনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. বাহাউদ্দিন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন আরও ছড়িয়ে পড়তে পারেনি।” ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ছাড়াও আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, খাদ্যশস্য ও প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী পুড়ে গেছে। সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩৫ লাখ টাকার বেশি। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুনের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত চলছে।