মূল লেখায় যান
শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অসহায় পরিবারের পাশে ‘স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন রামগোপালপুর’ এইমাত্রঅন্যান্য অসহায় পরিবারের পাশে ‘স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন রামগোপালপুর’ পুলিশের যানবাহনে নাশকতার শঙ্কা, দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি এইমাত্রঅন্যান্য পুলিশের যানবাহনে নাশকতার শঙ্কা, দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি ভাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ, দেবর ও ভাবি অবরুদ্ধ এইমাত্রঅন্যান্য ভাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ, দেবর ও ভাবি অবরুদ্ধ রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিল বিএনপি এইমাত্রঅন্যান্য রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিল বিএনপি নাসের আল খেলাইফির ফিফা সভাপতি হওয়া নিয়ে যা জানা গেল এইমাত্রঅন্যান্য নাসের আল খেলাইফির ফিফা সভাপতি হওয়া নিয়ে যা জানা গেল চট্টগ্রামকে ঘিরে আগামী ২৫ বছরের জন্য ৪র্থ মাস্টারপ্ল্যানের খসড়া উন্মোচন এইমাত্রঅন্যান্য চট্টগ্রামকে ঘিরে আগামী ২৫ বছরের জন্য ৪র্থ মাস্টারপ্ল্যানের খসড়া উন্মোচন ইউক্রেনের আরও একটি গ্রাম দখলের দাবি রাশিয়ার এইমাত্রঅন্যান্য ইউক্রেনের আরও একটি গ্রাম দখলের দাবি রাশিয়ার বিএনপি জিয়া ব্যবসা করলে, জুলাই ব্যবসায় অসুবিধা কোথায়: মাহমুদা মিতু এইমাত্রঅন্যান্য বিএনপি জিয়া ব্যবসা করলে, জুলাই ব্যবসায় অসুবিধা কোথায়: মাহমুদা মিতু
অন্যান্য

ঢাবিতে জুলাই-গ্রাফিতি সংরক্ষণে রংকরণ ও পুনর্লিখন শুরু

প্রতিবেদক:
ঢাবিতে জুলাই-গ্রাফিতি সংরক্ষণে রংকরণ ও পুনর্লিখন শুরু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন দেয়ালে অঙ্কিত জুলাই-গ্রাফিতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে পুনরায় রংকরণ/পুনর্লিখন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সকালে উপাচার্যের বাসভবনের প্রধান ফটকে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

জানা যায়, গ্রাফিতির মূল বৈশিষ্ট্য, চেতনা ও তাৎপর্য অক্ষুণ্ন রেখে ১, ২ ও ৩ আগস্ট উপাচার্য ভবন থেকে রোকেয়া হল পর্যন্ত গ্রাফিতি রংকরণ/পুনর্লিখন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। গ্রাফিতি রংকরণ/পুনর্লিখন কর্মসূচিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা অংশগ্রহণ করছেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের গ্রাফিতিগুলো পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দুঃশাসনের স্মৃতি চিহ্ন বহন করছে। জনমনে ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন-নিপীড়নের স্মৃতিকে জাগিয়ে রাখতে গ্রাফিতিগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ভয়াল দিনগুলোর স্মৃতি চারণ করে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সেময় দেশের তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। তাদের কন্ঠকে স্তব্ধ করতে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট শাসক সাধারণ মানুষের উপর ন্যক্কারজনকভাবে হামলা চালিয়েছিল। এই অন্যায় ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মানুষ সন্তানের লাশ কাঁধে নিয়ে রাজপথে অবস্থান নিয়েছিল। সকল রাজনৈতিক দল, শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে শামিল হয়েছিল। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু এর আগে তিনি সহস্রাধিক নিরীহ মানুষের জীবন কেড়ে নেন। জুলাই-আগস্টে দেশপ্রেমিক ছাত্র-ছাত্রীরা দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতির মাধ্যমে শেখ হাসিনার জুলুম, নির্যাতন ও আক্রোশের চিহ্ন এঁকেছিল। গ্রাফিতিগুলো এখন দেশের জীবন্ত ইতিহাস হয়ে রয়েছে।

উপাচার্য বলেন, আমরা হয়ত থাকবোনা, কিন্তু বাংলাদেশ শতাব্দীর পর শতাব্দী বেঁচে থাকবে। এই গ্রাফিতির মাধ্যমেই সাধারণ মানুষ সেই রক্তমাখা ভয়াল দিনগুলো চিরদিন স্মরণ করবে, আর জুলাইয়ের ফ্যাসিবাদ বিরোধী চেতনা অন্তরে ধারণ করবে। ভবিষ্যতে দেশে আর যেন ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে সে ব্যাপারে সচেতন থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, বর্তমান সরকারের বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের কার্যক্রমকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে হবে। উপাচার্য গ্রাফিতি অঙ্কনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, প্রক্টর মো. ইসরাফিল প্রাং ও আরবরি কালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন-সহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।