মূল লেখায় যান
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ওজনে কম দেওয়ায় নাবিস্কো বিস্কুটকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করলো বিএসটিআই এইমাত্রঅন্যান্য ওজনে কম দেওয়ায় নাবিস্কো বিস্কুটকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করলো বিএসটিআই ইরানের শক্তিমত্তাই ট্রাম্পকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে এইমাত্রঅন্যান্য ইরানের শক্তিমত্তাই ট্রাম্পকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে শেরপুরে অবৈধভাবে বালু তোলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা. এইমাত্রঅন্যান্য শেরপুরে অবৈধভাবে বালু তোলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা. ‘তাকওয়া অর্গানিক’-কে দশ হাজার টাকা জরিমানা করলো বিএসটিআই এইমাত্রঅন্যান্য ‘তাকওয়া অর্গানিক’-কে দশ হাজার টাকা জরিমানা করলো বিএসটিআই অনুমোদনহীন মসলা বিক্রির দায়ে ‘রনক্স মার্ট’-কে এক লাখ টাকা জরিমানা এইমাত্রঅন্যান্য অনুমোদনহীন মসলা বিক্রির দায়ে ‘রনক্স মার্ট’-কে এক লাখ টাকা জরিমানা ইবির ১০টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার এইমাত্রঅন্যান্য ইবির ১০টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার চলতি মাসে দেশজুড়ে হতে পারে টানা বৃষ্টি ও বন্যার আভাস এইমাত্রঅন্যান্য চলতি মাসে দেশজুড়ে হতে পারে টানা বৃষ্টি ও বন্যার আভাস ঢাবিতে শিবির নেতার কক্ষে ‘আপত্তিকর’ ঘটনা, মিলল অভিযুক্তদের পরিচয় এইমাত্রঅন্যান্য ঢাবিতে শিবির নেতার কক্ষে ‘আপত্তিকর’ ঘটনা, মিলল অভিযুক্তদের পরিচয়
অন্যান্য

ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে অনিয়মের অভিযোগ, ব্যাখ্যা চেয়েও মেলেনি জবাব

প্রতিবেদক:
ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে অনিয়মের অভিযোগ, ব্যাখ্যা চেয়েও মেলেনি জবাব

ভারতীয় ভিসার অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা নিয়ে নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা চেয়েছে একটি গণমাধ্যম। তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত এ বিষয়ে হাইকমিশনের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাইকমিশনের ভিসা হেল্পডেস্ক ও সাধারণ ই-মেইল—উভয় ঠিকানায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হলেও তার কোনো জবাব মেলেনি। গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, হাইকমিশনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

অভিযোগে বলা হয়, সপ্তাহে মাত্র একদিন কয়েক ঘণ্টার জন্য ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের স্লট খোলা হয়। ওই সময় আবেদনকারীরা সার্ভার জটিলতা, ওটিপি না পাওয়া, ‘নেক্সট’ বাটন অকার্যকর থাকা এবং পেমেন্ট অন্য আবেদনকারীর হিসাবে চলে যাওয়ার মতো নানা প্রযুক্তিগত সমস্যার মুখোমুখি হন।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ১০ থেকে ১৫টি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে কথা বলার দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এজেন্সিগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, তারা নিজেরা কোনো বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে না। বরং আবেদনকারীর তথ্য নিবন্ধনের পর তা একটি অজ্ঞাত তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যাদের পরিচয় তারাও জানে না।

আরও অভিযোগ করা হয়েছে, কিছু এজেন্সি আবেদনকারীদের মোবাইল নম্বরের পরিবর্তে বাজার থেকে সংগ্রহ করা নিবন্ধনহীন সিম ব্যবহার করে। এসব সিমে কল করা না গেলেও এসএমএস গ্রহণ করা যায় বলে তাদের দাবি। ওটিপি পাওয়ার পর সেটিও ওই অজ্ঞাত পক্ষের কাছে পাঠানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই প্রক্রিয়ায় দ্রুত অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাইয়ে দেওয়ার নামে আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। অথচ সরকারি নির্ধারিত ভিসা সার্ভিস চার্জ মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা। নিজ উদ্যোগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ব্যর্থ হয়ে অনেক আবেদনকারী বাধ্য হয়ে এসব এজেন্সির শরণাপন্ন হচ্ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমটির পাঠানো প্রশ্নে ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভার ও ডেটাবেজে কারা প্রবেশাধিকার রাখেন এবং গত ১ জুলাই আইভ্যাকের প্রতারণাবিষয়ক সতর্কবার্তার পর সেই প্রবেশাধিকার পর্যালোচনা করা হয়েছে কি না। পাশাপাশি সপ্তাহে সীমিত সময়ের পরিবর্তে ২৪ ঘণ্টা অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং চালুর পরিকল্পনা আছে কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই আইভ্যাক এক বিজ্ঞপ্তিতে ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করার নামে অর্থ আদায়ের প্রতারণা সম্পর্কে আবেদনকারীদের সতর্ক করেছিল। একই সময় আবেদনকারীদের নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী সময় নির্বাচন করার সুবিধাও প্রত্যাহার করা হয়।

প্রতিবেদনটিতে উত্থাপিত সব অভিযোগ আবেদনকারী ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।