মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ধামসোনা বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, জাকিরের প্রতিবাদ এইমাত্রঅন্যান্য ধামসোনা বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, জাকিরের প্রতিবাদ জয়পুরহাটে গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত এইমাত্রঅন্যান্য জয়পুরহাটে গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মার্কিন চার মানবাধিকার সংস্থার মামলা এইমাত্রঅন্যান্য ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মার্কিন চার মানবাধিকার সংস্থার মামলা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত এইমাত্রঅন্যান্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত দিল্লিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন দীনেশ ত্রিবেদী এইমাত্রঅন্যান্য দিল্লিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন দীনেশ ত্রিবেদী দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকে ১৪ জনের মৃত্যু মানিকগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বহনকারী বাসে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৫ এইমাত্রঅন্যান্য মানিকগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বহনকারী বাসে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৫ জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে 'জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে' অগ্নিসংযোগ এইমাত্রঅন্যান্য জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে 'জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে' অগ্নিসংযোগ
অন্যান্য

ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে অনিয়মের অভিযোগ, ব্যাখ্যা চেয়েও মেলেনি জবাব

প্রতিবেদক:
ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে অনিয়মের অভিযোগ, ব্যাখ্যা চেয়েও মেলেনি জবাব

ভারতীয় ভিসার অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা নিয়ে নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা চেয়েছে একটি গণমাধ্যম। তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত এ বিষয়ে হাইকমিশনের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাইকমিশনের ভিসা হেল্পডেস্ক ও সাধারণ ই-মেইল—উভয় ঠিকানায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হলেও তার কোনো জবাব মেলেনি। গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, হাইকমিশনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

অভিযোগে বলা হয়, সপ্তাহে মাত্র একদিন কয়েক ঘণ্টার জন্য ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের স্লট খোলা হয়। ওই সময় আবেদনকারীরা সার্ভার জটিলতা, ওটিপি না পাওয়া, ‘নেক্সট’ বাটন অকার্যকর থাকা এবং পেমেন্ট অন্য আবেদনকারীর হিসাবে চলে যাওয়ার মতো নানা প্রযুক্তিগত সমস্যার মুখোমুখি হন।

অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ১০ থেকে ১৫টি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে কথা বলার দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এজেন্সিগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, তারা নিজেরা কোনো বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে না। বরং আবেদনকারীর তথ্য নিবন্ধনের পর তা একটি অজ্ঞাত তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যাদের পরিচয় তারাও জানে না।

আরও অভিযোগ করা হয়েছে, কিছু এজেন্সি আবেদনকারীদের মোবাইল নম্বরের পরিবর্তে বাজার থেকে সংগ্রহ করা নিবন্ধনহীন সিম ব্যবহার করে। এসব সিমে কল করা না গেলেও এসএমএস গ্রহণ করা যায় বলে তাদের দাবি। ওটিপি পাওয়ার পর সেটিও ওই অজ্ঞাত পক্ষের কাছে পাঠানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই প্রক্রিয়ায় দ্রুত অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাইয়ে দেওয়ার নামে আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। অথচ সরকারি নির্ধারিত ভিসা সার্ভিস চার্জ মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা। নিজ উদ্যোগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে ব্যর্থ হয়ে অনেক আবেদনকারী বাধ্য হয়ে এসব এজেন্সির শরণাপন্ন হচ্ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমটির পাঠানো প্রশ্নে ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভার ও ডেটাবেজে কারা প্রবেশাধিকার রাখেন এবং গত ১ জুলাই আইভ্যাকের প্রতারণাবিষয়ক সতর্কবার্তার পর সেই প্রবেশাধিকার পর্যালোচনা করা হয়েছে কি না। পাশাপাশি সপ্তাহে সীমিত সময়ের পরিবর্তে ২৪ ঘণ্টা অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং চালুর পরিকল্পনা আছে কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই আইভ্যাক এক বিজ্ঞপ্তিতে ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করার নামে অর্থ আদায়ের প্রতারণা সম্পর্কে আবেদনকারীদের সতর্ক করেছিল। একই সময় আবেদনকারীদের নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী সময় নির্বাচন করার সুবিধাও প্রত্যাহার করা হয়।

প্রতিবেদনটিতে উত্থাপিত সব অভিযোগ আবেদনকারী ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।