মূল লেখায় যান
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তারেক রহমান ক্ষমতায় থাকবেন না, পতন শুরু হয়ে গেছে: পাটওয়ারী এইমাত্রঅন্যান্য তারেক রহমান ক্ষমতায় থাকবেন না, পতন শুরু হয়ে গেছে: পাটওয়ারী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: প্রধানমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি জুলাই স্মৃতি জাদুঘর: প্রধানমন্ত্রী পথ হারালে আবারও শুরু হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকেই: ড. ইউনূস এইমাত্রঅন্যান্য পথ হারালে আবারও শুরু হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকেই: ড. ইউনূস জাপানের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, জবাবের হুঁশিয়ারি পিয়ংইয়ংয়ের এইমাত্রঅন্যান্য জাপানের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, জবাবের হুঁশিয়ারি পিয়ংইয়ংয়ের ইরান যুদ্ধে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় সব মজুত শেষ যুক্তরাষ্ট্রের এইমাত্রঅন্যান্য ইরান যুদ্ধে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় সব মজুত শেষ যুক্তরাষ্ট্রের আশুলিয়ায় টোবাকোর গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট এইমাত্রঅন্যান্য আশুলিয়ায় টোবাকোর গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট কিশোরগঞ্জে শহিদ নাঈমের কবরে উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন এইমাত্রঅন্যান্য কিশোরগঞ্জে শহিদ নাঈমের কবরে উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংঘর্ষে ছাত্রশিবির কে দায়ী করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিবৃতি  এইমাত্রঅন্যান্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংঘর্ষে ছাত্রশিবির কে দায়ী করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিবৃতি 
অন্যান্য

৯ বার তদন্তের পরও কেন ছাড়পত্র, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রশ্ন শাহনাজ মুন্নীর

প্রতিবেদক:
৯ বার তদন্তের পরও কেন ছাড়পত্র, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রশ্ন শাহনাজ মুন্নীর

দীর্ঘ ৩০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে অসংখ্য সংবাদ সম্মেলন কভার করলেও এবার পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে নিজেই সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হয়েছেন শাহানাজ মুন্নী। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার আবাসিক এলাকা নয়াপুরে প্রস্তাবিত মশার কয়েল কারখানার পরিবেশগত ছাড়পত্র পুনরায় দেওয়ার উদ্যোগের অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক শাহনাজ মুন্নী। ৯ বার তদন্তের পরও কেন ছাড়পত্র? পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কাছে এমন প্রশ্ন রেখে ৪ আগষ্ট সকাল ১১ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাব তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক শাহানাজ মুন্নি বলেন, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার আবাসিক এলাকা নয়াপুরে প্রস্তাবিত মশার কয়েল কারখানার পরিবেশগত ছাড়পত্র পুনরায় দেওয়ার উদ্যোগের নেয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, পরিবেশ অধিদপ্তরের নয়টি তদন্তে এলাকাটি আবাসিক হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পর কারখানার অবস্থানগত ছাড়পত্র বাতিল করা হলেও আগামী ৬ আগস্ট আপিল কর্তৃপক্ষের শুনানির মাধ্যমে আবারও ছাড়পত্র দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন শাহনাজ মুন্নী। এ সময় নয়াপুর গ্রামের মসজিদের পক্ষ থেকে মো. মাইনুদ্দিন মোল্লা, মন্দিরের পক্ষ থেকে সাধন সাহা এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কবি ও পরিবেশসংগ্ৰামী শাহেদ কায়েস উপস্থিত ছিলেন।

শাহনাজ মুন্নী বলেন, ৩০ বছর সাংবাদিক হিসেবে অন্যের সংবাদ সম্মেলন কভার করলেও এবার পরিবেশ সন্ত্রাসের শিকার হয়ে নিজেকেই সংবাদ সম্মেলন করতে হচ্ছে।

তিনি জানান, সোনারগাঁয়ের নয়াপুর গ্রামের মসজিদ, মন্দির ও একটি মহিলা মাদ্রাসাসংলগ্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘শারমীন কেমিক্যাল ওয়ার্কস’ নামে একটি মশার কয়েল কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, কারখানাটি চালু হলে বিষাক্ত দূষণে এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি জানান, এলাকাবাসীর আবেদনের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রধান ও শাখা কার্যালয় থেকে মোট নয়বার তদন্ত করা হয়। প্রতিটি তদন্তেই এলাকাটি আবাসিক হিসেবে চিহ্নিত হয় এবং সেখানে আইন অনুযায়ী মশার কয়েল কারখানা স্থাপন করা যাবে না বলে মত দেওয়া হয়।

পরে দীর্ঘ তদন্ত শেষে পরিবেশ অধিদপ্তর কারখানাটির অবস্থানগত ছাড়পত্র বাতিল করে। তবে পরবর্তীতে আপিলের মাধ্যমে কারখানাটি ছাড়পত্র পেয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, পরবর্তী তদন্তে সেই আপিলে পাওয়া ছাড়পত্রও বাতিল করা হলেও এখন আবারও আপিলের মাধ্যমে অনুমোদনের চেষ্টা চলছে। শাহনাজ মুন্নীর প্রশ্ন, পরিবেশ অধিদপ্তরের নয়বার তদন্ত ও বিস্তারিত অনুসন্ধানের ভিত্তিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত মাত্র ১৫ মিনিটের শুনানিতে কীভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব?

তাঁর অভিযোগ, এ ধরনের আপিল ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে প্রভাবশালী মহল পরিবেশগত ছাড়পত্র আদায় করছে। তিনি বলেন, একই এলাকায় এর আগে ‘ইমাম পোলট্রি ফার্ম’ পরিবেশ আইনের আওতায় বন্ধ করা হয়েছিল এবং বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। সেই প্রেক্ষাপটে সেখানে আরও বেশি দূষণকারী কয়েল কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপন্থী বলেও তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রস্তাবিত কয়েল কারখানাটিকে পুনরায় পরিবেশগত ছাড়পত্র না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ সংশোধন করে পরিবেশ অধিদপ্তরকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর, মন্ত্রণালয়ের আপিল বোর্ড বাতিল করে পরিবেশ আদালতে আপিলের ব্যবস্থা চালু এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘শারমীন কেমিক্যাল ওয়ার্কস’-এর ছাড়পত্র আবেদন নামঞ্জুর করার দাবি জানান।