মূল লেখায় যান
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু এইমাত্রঅন্যান্য সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু পুলিশকে সহযোগিতা করে আসামির মারধরের শিকার এইচএসসি পরীক্ষার্থী; অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য পুলিশকে সহযোগিতা করে আসামির মারধরের শিকার এইচএসসি পরীক্ষার্থী; অপহরণ চেষ্টার অভিযোগ কলাবাগান থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ মিজানুর, শেষ লোকেশন গাজীপুর এইমাত্রঅন্যান্য কলাবাগান থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ মিজানুর, শেষ লোকেশন গাজীপুর বাংলাদেশের বাড়তি ডিজেল চাহিদা, সরবরাহ নিয়ে দিল্লির জবাব এইমাত্রঅন্যান্য বাংলাদেশের বাড়তি ডিজেল চাহিদা, সরবরাহ নিয়ে দিল্লির জবাব পুরানপাড়ায় ওল্ড স্টার ফুটবল প্রীতি ম্যাচ, খেলাধুলায় সম্প্রীতির বার্তা এইমাত্রঅন্যান্য পুরানপাড়ায় ওল্ড স্টার ফুটবল প্রীতি ম্যাচ, খেলাধুলায় সম্প্রীতির বার্তা জালিয়াতির অভিযোগে আইনি ঝামেলায় সেলেনা গোমেজ এইমাত্রঅন্যান্য জালিয়াতির অভিযোগে আইনি ঝামেলায় সেলেনা গোমেজ এলএনজি সরবরাহে নতুন ধাক্কা, ফের বন্ধ এক্সিলারেট এইমাত্রঅন্যান্য এলএনজি সরবরাহে নতুন ধাক্কা, ফের বন্ধ এক্সিলারেট জামিনের পর তিশা, ‘স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে’ এইমাত্রঅন্যান্য জামিনের পর তিশা, ‘স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে’
অন্যান্য

বাংলাদেশের বাড়তি ডিজেল চাহিদা, সরবরাহ নিয়ে দিল্লির জবাব

প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের বাড়তি ডিজেল চাহিদা, সরবরাহ নিয়ে দিল্লির জবাব

বাংলাদেশের বাড়তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ নিয়ে ভারতের অবস্থান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত বলেছে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। তবে অতিরিক্ত সরবরাহের অনুরোধ ভারতের নিজস্ব চাহিদা, পরিশোধন সক্ষমতা ও দেশে ডিজেলের প্রাপ্যতা বিবেচনা করে পর্যালোচনা করা হবে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের বাড়তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।

জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ডিজেল সরবরাহের বিষয়ে ভারতের একটি চলমান ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেটি অব্যাহত আছে। তবে বাংলাদেশ অতিরিক্ত সরবরাহের যে অনুরোধ জানিয়েছে, তা ভারতের নিজেদের প্রয়োজন, পরিশোধন সক্ষমতা এবং দেশের অভ্যন্তরে ডিজেলের প্রাপ্যতা বিবেচনা করে পর্যালোচনা করা হবে।

এদিকে একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। তবে সফরের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি দিল্লি।

রণধীর জয়সওয়াল জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছে। পাশাপাশি নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সফর নিয়ে কোনো অগ্রগতি হলে গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলে জানান তিনি।

ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। সম্ভাব্য সফরের তারিখ হিসেবে ২২ ও ২৩ আগস্টের কথা আলোচনায় রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও এরই মধ্যে সম্ভাব্য সফর নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফর হলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হতে পারে। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।

সবকিছু চূড়ান্ত হলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি হবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথের দিক থেকেও সফরটি তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরপরই তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত সরকার। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বরে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবেও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তবে ব্রিকসের ওই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বক্তব্যে ব্রিকসের চেয়ে দ্বিপক্ষীয় ভারত সফরকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এদিকে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে ভারতের বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন বাংলাদেশ বাড়তি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের বিষয়ে এখনই কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। বরং দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহ সক্ষমতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে দিল্লি।

ফলে একদিকে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে, অন্যদিকে বাড়তি জ্বালানি সরবরাহের অনুরোধও ভারতের বিবেচনায় রয়েছে। তবে দুই ক্ষেত্রেই এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।