মূল লেখায় যান
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবার চালানসহ আটক ১ এইমাত্রঅন্যান্য মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবার চালানসহ আটক ১ বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ এইমাত্রঅন্যান্য বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ সব সম্প্রদায়ের প্রয়োজন বিবেচনায় রেখেই নীতিমালা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য সব সম্প্রদায়ের প্রয়োজন বিবেচনায় রেখেই নীতিমালা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী বরযাত্রীর গাড়ি আটকিয়ে মিষ্টির টাকা দাবি, সংঘর্ষে বরসহ আহত অর্ধশত এইমাত্রঅন্যান্য বরযাত্রীর গাড়ি আটকিয়ে মিষ্টির টাকা দাবি, সংঘর্ষে বরসহ আহত অর্ধশত বিশ্ববাজারে আজ আবারও কমলো স্বর্ণের দাম এইমাত্রঅন্যান্য বিশ্ববাজারে আজ আবারও কমলো স্বর্ণের দাম সৌদি-ইরান সমর্থিত বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষ, নিহত ৮১ এইমাত্রঅন্যান্য সৌদি-ইরান সমর্থিত বাহিনীর তীব্র সংঘর্ষ, নিহত ৮১ মেয়ে কোয়েলকে নিয়ে ফের বড় পর্দায় রঞ্জিত মল্লিক এইমাত্রঅন্যান্য মেয়ে কোয়েলকে নিয়ে ফের বড় পর্দায় রঞ্জিত মল্লিক জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন ঈশ্বরগঞ্জ এইমাত্রঅন্যান্য জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন ঈশ্বরগঞ্জ
অন্যান্য

নেপালের চেয়েও মহাবিপর্যয়ের শঙ্কায় সিকিম!

প্রতিবেদক:
নেপালের চেয়েও মহাবিপর্যয়ের শঙ্কায় সিকিম!

ভারতের পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে নতুন করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্যাটেলাইট ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হিমবাহ হ্রদগুলো পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, রাজ্যটির ৪০টি হিমবাহ হ্রদ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি হ্রদকে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এসব হ্রদের কোনো একটির প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে গেলে মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও আকস্মিক বন্যা নেমে আসতে পারে।

হিমালয়ের উচ্চভূমিতে বরফ গলে পাহাড়ের ওপর বিশাল জলাধার বা হিমবাহ হ্রদের সৃষ্টি হয়। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ায় এসব হ্রদে পানির পরিমাণও বাড়ছে। ফলে হ্রদের ওপর থাকা প্রাকৃতিক বাঁধে পানির চাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পাহাড়ধস, ভূমিকম্প কিংবা অতিরিক্ত পানির চাপে এসব প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। তখন বিপুল পরিমাণ পানি, পাথর ও কাদা নিয়ে পাহাড়ি ঢল দ্রুত নিচের দিকে নেমে এসে বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।

সিকিমের অতীত অভিজ্ঞতাও এই আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হিমবাহ হ্রদ ফেটে সিকিমে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছিল। ওই দুর্যোগে অন্তত ৬০ জনের মৃত্যু হয় এবং একটি বড় বাঁধ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। সম্প্রতি নেপাল সীমান্তেও একই ধরনের বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে, যা পুরো হিমালয় অঞ্চলেই নতুন করে সতর্কতা তৈরি করেছে।

সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় সিকিম সরকার আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ‘শাকো ছা’ হ্রদ থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়ার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি লোনাক ও গুরুডংমার হ্রদের পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগও চলছে।

হ্রদগুলোতে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ পানি কীভাবে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। সম্ভাব্য পদ্ধতিগুলোর মধ্যে বড় পাইপের মাধ্যমে পানি পাম্প করে বের করে দেওয়া, সাইফন পদ্ধতি ব্যবহার এবং সুরঙ্গ তৈরি করে পানির গতিপথ পরিবর্তনের বিষয়গুলো বিবেচনা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া পাহাড়ি এলাকায় আধুনিক সেন্সর ও সতর্কতামূলক সাইরেন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে হ্রদের পানির স্তর বা বাঁধের অবস্থায় কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে আগেভাগেই নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

সূত্র: দ্য হিন্দু