মূল লেখায় যান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এমপি ওয়াদুদ ভূইয়ার নেতৃত্বে খাগড়াছড়িতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত এইমাত্রঅন্যান্য এমপি ওয়াদুদ ভূইয়ার নেতৃত্বে খাগড়াছড়িতে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৫ এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ আটক ৫ সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর মৃত্যু, দাফনে জামায়াত নেতাদের বাধা এইমাত্রঅন্যান্য সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীর মৃত্যু, দাফনে জামায়াত নেতাদের বাধা মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা এবার সেই রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান এইমাত্রঅন্যান্য মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা এবার সেই রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার এইমাত্রঅন্যান্য ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার অল্পবয়সী মেয়েদের প্রেমিকের সঙ্গে থাকার জন্য রুম ভাড়া দিলেই আইনি ব্যবস্থা এইমাত্রঅন্যান্য অল্পবয়সী মেয়েদের প্রেমিকের সঙ্গে থাকার জন্য রুম ভাড়া দিলেই আইনি ব্যবস্থা ‘মৃত্যুর পর কী অপেক্ষা করছে মানুষের জন্য? এইমাত্রঅন্যান্য ‘মৃত্যুর পর কী অপেক্ষা করছে মানুষের জন্য? অনুমোদনহীন দুই করাতকলকে জরিমানা, জব্দ কাঠ ও যন্ত্রাংশ এইমাত্রঅন্যান্য অনুমোদনহীন দুই করাতকলকে জরিমানা, জব্দ কাঠ ও যন্ত্রাংশ
অন্যান্য

পতিত জমিতে ড্রাগন চাষে সফল ছয় ভাইরাভাই

প্রতিবেদক:
পতিত জমিতে ড্রাগন চাষে সফল ছয় ভাইরাভাই

ঝিনাইদহের সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের গোয়ালবাড়িয়া গ্রামে ছয় বছর আগে পড়ে থাকা এক পতিত জমিতে স্বপ্নের বীজ বুনেছিলেন পাঁচ ভাইরাভাই। মাত্র দুই বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ দিয়ে শুরু করা সেই উদ্যোগের পরিধি এখন ছয় বিঘায় দাঁড়িয়েছে। ড্রাগনের পাশাপাশি বর্তমানে বাগানটিতে মাল্টা ও কমলার চাষও হচ্ছে।

‘এম এম গ্রিন ফিল্ড’ নামের এই কৃষি প্রকল্পে পাঁচ ভাইরাভাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ষষ্ঠ ভাইরাভাই রাজিবুল ইসলাম রাজ। উদ্যোক্তাদের মধ্যে পাঁচজন চাকরিজীবী এবং একজন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী।

উদ্যোক্তারা জানান, শুরুতে পাঁচজন মিলে প্রায় আট লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। প্রত্যেকে বিনিয়োগ করা এক লাখ ৮০ হাজার টাকা করে ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন এবং এর বাইরে প্রত্যেকের প্রায় ছয় লাখ টাকা করে লাভ হয়েছে। এ বছর বাগান থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪ লাখ টাকার ফল বিক্রি হয়েছে। মৌসুম শেষে বিক্রির পরিমাণ ২০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

বাগানটি গড়ে উঠেছে তাঁদের শ্বশুরের পতিত জমিতে। আগামী বছরের জানুয়ারিতে আরও দুই বিঘা জমি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে অ্যাভোকাডো, মাল্টা ও কমলা চাষ করা হবে। বাগানটি পরিচালনার জন্য একজন শিক্ষিত ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সারা বছর চার থেকে পাঁচজন শ্রমিক সেখানে কাজ করেন।

এই উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছেন মেজো ভাইরাভাই ও শিক্ষক মিজানুর রহমান। কৃষির প্রতি তাঁর আগ্রহ থেকেই মূলত এই খামারের যাত্রা শুরু। বিভিন্ন কৃষি খামার পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্য ভাইরাভাইদের নিয়ে তিনি এই বাগান গড়ে তোলেন।

বড় ভাই ও শিক্ষক লিয়াকত বলেন, চাকরির পাশাপাশি কৃষি থেকে এই বাড়তি আয় তাঁদের জন্য বেশ উৎসাহের। ব্যাংকে কর্মরত চার নম্বর ভাইরাভাই শিপলু জানান, কর্মব্যস্ত জীবনের চাপে এই বাগান তাঁর কাছে মানসিক প্রশান্তির জায়গা। বেসরকারি চাকরিজীবী রাহাত খানও ছুটির দিনে বাগানের সবুজ পরিবেশে সময় কাটাতে পছন্দ করেন।

উদ্যোক্তা মিজানুর রহমান বলেন, পতিত জমিকে উৎপাদনশীল করার পাশাপাশি তাঁরা কয়েকজন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পেরেছেন। তাঁদের মতে, দেশে ফলের উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়ার পাশাপাশি ফল আমদানির ওপর নির্ভরশীলতাও কমবে।

পরিকল্পনা, শ্রম ও আগ্রহ থাকলে চাকরির পাশাপাশি কৃষি যে বাড়তি আয়ের একটি কার্যকর পথ হতে পারে, ছয় ভাইরাভাইয়ের এই উদ্যোগ তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।