নোয়াখালী আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অপহৃত কিশোরী উদ্ধার, গ্রেফতার ১
নোয়াখালী আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মায়ের কাছ থেকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার ঘটনায় অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১১) সিপিসি-৩-এর একটি চৌকস দল। একই অভিযানে মামলার প্রধান আসামি আবদুর রহিম রনিকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার মিথুন কুমার কুণ্ডু।
এর আগে সোমবার রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং এসআরবি-৭, সিপিএসসি, চট্টগ্রামের যৌথ আভিযানিক দল চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার পাশের একটি কলোনিতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির ভাড়া বাসা থেকে আসামি আবদুর রহিম রনিকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রনি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের জগদানন্দ গ্রামের সালাউদ্দিনের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তাকে স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরণের ঘটনায় গত ১৬ জুলাই নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা। আদালতের নির্দেশে ভিকটিমকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়। পরবর্তীতে ১৩ সেপ্টেম্বর আদালত ভিকটিমকে তার মায়ের জিম্মায় প্রদান করেন।
আদালত থেকে বের হয়ে সিএনজিতে ওঠার সময় আসামি রনি ও তার সহযোগীরা ভিকটিমকে ঘিরে ফেলে এবং জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ভুক্তভোগীর মা বাধা দিলে আসামিরা তাকে কিল-ঘুষি মেরে রাস্তায় ফেলে দেয় এবং গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আসামিরা সিএনজি ও মোটরসাইকেলযোগে ভিকটিমকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় সুধারাম থানায় মামলা দায়ের করা হলে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আসামিকে গ্রেফতার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
