মূল লেখায় যান
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৬ ইউনিট এইমাত্রঅন্যান্য টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৬ ইউনিট সব মাদ্রাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা এইমাত্রঅন্যান্য সব মাদ্রাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা শিলখুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন, আহবায়ক খালেক, সদস্য সচিব জুবায়ের  এইমাত্রঅন্যান্য শিলখুড়ি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি গঠন, আহবায়ক খালেক, সদস্য সচিব জুবায়ের  শাহজালালে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী এইমাত্রঅন্যান্য শাহজালালে সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৩ হাজার যাত্রী ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মারা গেলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাতুল এইমাত্রঅন্যান্য ৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মারা গেলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাতুল বাংলাদেশ ইয়ুথ প্রথম মডেল ইউএন এর সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর এইমাত্রঅন্যান্য বাংলাদেশ ইয়ুথ প্রথম মডেল ইউএন এর সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ আগুন এইমাত্রঅন্যান্য টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ আগুন ‘মানুষ আপনাকে দুই টাকারও দাম দেয় না’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘মানুষ আপনাকে দুই টাকারও দাম দেয় না’
অন্যান্য

৩৭ ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল চকবাজারের আগুন

প্রতিবেদক:
৩৭ ঘণ্টার চেষ্টায় নিভল চকবাজারের আগুন

পুরান ঢাকার চকবাজারের মনসুর খান প্লাজায় অগ্নিকাণ্ডের প্রায় সাড়ে ৩৭ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করতে পেরেছে ফায়ার সার্ভিস।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চকবাজারের আগুন নির্বাপণ সম্পন্ন হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২ মিনিটে চকবাজারের ছোট কাটারা এসি মসজিদসংলগ্ন মার্কেটটিতে আগুন লাগার খবর পায় সংস্থাটি। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে ধাপে ধাপে ইউনিটের সংখ্যা বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত ১০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

ঐ সময় ফায়ার সার্ভিস জানায়, মার্কেটের ষষ্ঠ তলায় বিভিন্ন পণ্যের গুদাম ছিল। এসব গুদামের দরজা ও শাটার তালাবদ্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করে আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের বেগ পেতে হয়। তালা ও শাটার ভেঙে প্রবেশের পর আগুনের উৎস এবং বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়া আগুন মোকাবিলা করতে হয়েছে।

একই সঙ্গে ভবনের ভেতরে ধোঁয়া বের হওয়ার পর্যাপ্ত পথ না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ঘন ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

আগুন নেভাতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করাও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। পানির সীমিত উৎস এবং সরু রাস্তার কারণে পানিবাহী গাড়ি নিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নেভানোর পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কাজ করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।