মূল লেখায় যান
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শুধু একটি নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির: সিইসি এইমাত্রঅন্যান্য শুধু একটি নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির: সিইসি নাটোরের গুরুদাসপুরে শপিংমলে হামলা ও লুটপাট এইমাত্রঅন্যান্য নাটোরের গুরুদাসপুরে শপিংমলে হামলা ও লুটপাট জাইমা রহমানের জন্মদিনে আশুলিয়ায় ছাত্রদলের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এইমাত্রঅন্যান্য জাইমা রহমানের জন্মদিনে আশুলিয়ায় ছাত্রদলের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা বুড়িচংয়ে অসুস্থ স্বামীর সেবায় স্ত্রী-মেয়ে হাসপাতালে, বাড়ি ফাঁকা পেয়ে চুরির অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে অসুস্থ স্বামীর সেবায় স্ত্রী-মেয়ে হাসপাতালে, বাড়ি ফাঁকা পেয়ে চুরির অভিযোগ ইনফিনিক্স ফোন বিষ্ফোরণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গ্রাহককে হুমকি এইমাত্রঅন্যান্য ইনফিনিক্স ফোন বিষ্ফোরণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গ্রাহককে হুমকি নাটোরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এইমাত্রঅন্যান্য নাটোরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দুদকের মামলায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এইমাত্রঅন্যান্য দুদকের মামলায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চন্দনাইশে সৌদিয়া পরিহনের বাস উল্টে ২৫ যাত্রী আহত এইমাত্রঅন্যান্য চন্দনাইশে সৌদিয়া পরিহনের বাস উল্টে ২৫ যাত্রী আহত
অন্যান্য

আইফোনের লোভে বন্ধু হত্যা, নবীগঞ্জে প্রধান আসামি সাহেল গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক:
আইফোনের লোভে বন্ধু হত্যা, নবীগঞ্জে প্রধান আসামি সাহেল গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে তারেক হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি সাহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার চৌশতপুর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। দামি আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যার অভিযোগে করা এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারের পর নিহতের মরদেহ উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সাহেল মিয়া চৌশতপুর গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে। নিহত তারেক একই গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। তাঁরা দুজন বন্ধু ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, কিছুদিন আগে সাহেল ও তারেক বন্ধুত্বের সূত্র ধরে লাখাই উপজেলায় যান। সে সময় তারেকের কাছে একটি দামি আইফোন ছিল। ওই ফোনের লোভে সাহেল তাঁকে হত্যা করে মরদেহ লাখাই এলাকার একটি খালে ফেলে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তারেক নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সন্ধান না পেয়ে নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশি তদন্তে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হোসেনের দিকনির্দেশনায় এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে সাহেলকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর সাহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের মরদেহ উদ্ধারের জন্য ওসি মো. আবুল হোসেন ও এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল লাখাই থানায় যায়।

নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায় নি।