মূল লেখায় যান
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শুধু একটি নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির: সিইসি এইমাত্রঅন্যান্য শুধু একটি নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির: সিইসি নাটোরের গুরুদাসপুরে শপিংমলে হামলা ও লুটপাট এইমাত্রঅন্যান্য নাটোরের গুরুদাসপুরে শপিংমলে হামলা ও লুটপাট জাইমা রহমানের জন্মদিনে আশুলিয়ায় ছাত্রদলের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এইমাত্রঅন্যান্য জাইমা রহমানের জন্মদিনে আশুলিয়ায় ছাত্রদলের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা বুড়িচংয়ে অসুস্থ স্বামীর সেবায় স্ত্রী-মেয়ে হাসপাতালে, বাড়ি ফাঁকা পেয়ে চুরির অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে অসুস্থ স্বামীর সেবায় স্ত্রী-মেয়ে হাসপাতালে, বাড়ি ফাঁকা পেয়ে চুরির অভিযোগ ইনফিনিক্স ফোন বিষ্ফোরণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গ্রাহককে হুমকি এইমাত্রঅন্যান্য ইনফিনিক্স ফোন বিষ্ফোরণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গ্রাহককে হুমকি নাটোরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এইমাত্রঅন্যান্য নাটোরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দুদকের মামলায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এইমাত্রঅন্যান্য দুদকের মামলায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চন্দনাইশে সৌদিয়া পরিহনের বাস উল্টে ২৫ যাত্রী আহত এইমাত্রঅন্যান্য চন্দনাইশে সৌদিয়া পরিহনের বাস উল্টে ২৫ যাত্রী আহত
অন্যান্য

দুদকের মামলায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

প্রতিবেদক:
দুদকের মামলায় সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার দেওগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাজা মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার তৈরি করে সরকারি ১১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৯৬ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো তাঁকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে শিক্ষকদের সার্ভিস বই লেখার কাজে যুক্ত থাকতে দেখা গেছে, যা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের প্রশাসনিক ভূমিকা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

দুদকের অভিযোগ ও তদন্তসংশ্লিষ্ট নথি সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক খাজা মজিবুর রহমান এবং মো. সুমন মিয়া (বর্তমানে খালিয়াজুরী উপজেলায় কর্মরত) পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ময়মনসিংহের অনুমোদনক্রমে ২০২০ সালের ১১ মার্চ সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. এনামুল হক এজাহার দাখিল করেন।

তদন্তের অংশ হিসেবে ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর আটপাড়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিলের নম্বর, তারিখ ও উত্তোলিত অর্থের পরিমাণসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। দুদকের উপসহকারী পরিচালক রাজু মো. সারোয়ার হোসেন তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া আটপাড়া উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও অডিটরদের জব্দকৃত নথিপত্রও তদন্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে উপজেলা শিক্ষা অফিসে দাপ্তরিক কাজে যুক্ত রাখা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সরকারি অর্থ আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষা বিভাগ কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে আটপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের চলতি দায়িত্বে থাকা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, তাঁর দপ্তরে এ মামলা-সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র না থাকায় তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগ।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক খাজা মজিবুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ট্রেজারির মাধ্যমে টাকা ফেরত দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তাঁর কাছে টাকা জমার রসিদ রয়েছে। তবে টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি ও মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থ ফেরত দেওয়া হলেও ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি কিংবা বিভাগীয় দায় থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায় কি না, তা আইন ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়। সরকারি অর্থ আত্মসাতের মতো ঘটনায় ফৌজদারি কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভাগীয় বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।