মূল লেখায় যান
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বৃষ্টি নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর এইমাত্রঅন্যান্য বৃষ্টি নিয়ে বড় দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর খাবারের দাম আকাশছোঁয়া, বাংলাদেশ-পাকিস্তানে ছোট হচ্ছে মানুষের খাবারের তালিকা এইমাত্রঅন্যান্য খাবারের দাম আকাশছোঁয়া, বাংলাদেশ-পাকিস্তানে ছোট হচ্ছে মানুষের খাবারের তালিকা প্রতিরক্ষা আইনে বড় বদল, যুদ্ধের প্রস্তুতিতে চীন এইমাত্রঅন্যান্য প্রতিরক্ষা আইনে বড় বদল, যুদ্ধের প্রস্তুতিতে চীন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার এইমাত্রঅন্যান্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার ভাইকে বহিষ্কারের দাবি এমপি বাবুলের এইমাত্রঅন্যান্য ভাইকে বহিষ্কারের দাবি এমপি বাবুলের কখন ফল খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়? এইমাত্রঅন্যান্য কখন ফল খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়? তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে চলেছে: এলজিআরডি মন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে চলেছে: এলজিআরডি মন্ত্রী সুদের টাকা ও মামলাকে কেন্দ্র করে জাবি শিক্ষার্থীর মাকে হয়রানি অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য সুদের টাকা ও মামলাকে কেন্দ্র করে জাবি শিক্ষার্থীর মাকে হয়রানি অভিযোগ
বাংলাদেশ

সন্ধ্যা ৭টার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করতে হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
সন্ধ্যা ৭টার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করতে হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

দুর্গাপূজায় সন্ধ্যা ৭টার আগেই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি নেই। সন্ধ্যা ৭টার আগেরই প্রতিমা বিসর্জন শেষ করতে হবে। ২৪ ঘণ্টা মণ্ডপ পর্যবেক্ষণে থাকবে। আমাদের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত আনসার নিয়োগ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পূজা উপলক্ষে আশপাশের মেলায় মদ ও গাজার আসর বসে। এবার এসব মেলা হবে। পূজায় মাজা-মদের আসর বসানো যাবে না। এবার সারা দেশে ৩৩ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা হবে

উপদেষ্টা বলেন, সীমান্ত এলাকায় বিজিবিকে পূজামণ্ডপের দায়িত্ব দেওয়া হবে। এ ছাড়া সারা দেশেই আনসার নিয়োগ দেওয়া হবে। ঢাকায় লাইন করে প্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে। কার পরে কে বিসর্জন দেবে তার ধারাবাহিকতা থাকতে হবে।

এদিকে চলতি মাসের শেষের দিকে শুরু হচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। পূজা ঘিরে সন্ত্রাসী হামলাসহ যে কোনো নাশকতা রোধে ১৮ দফা নির্দেশনা দেবে সরকার। কর্মকর্তারা জানান, দুর্গাপূজা নিয়ে ১৮ দফা নির্দেশনা প্রস্তুত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সভায় মাঠ কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার জন্য বলা হবে। দফাগুলো হলো—১. দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র‍্যাব এবং আনসার ও ভিডিপির দৃশ্যমান টহল জোরদার এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে বলা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।

২. যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে পূর্বপ্রস্তুতি নিতে হবে। অপ্রত্যাশিতভাবে কোনো ঘটনার সূত্রপাত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ৩. দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করতে হবে। ৪. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এরূপ কোনো বক্তব্য বা গুজব ছড়ানোর বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ৫. সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটিগুলোকে পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক পাহারার জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ও পাহারাদার নিয়োজিত করতে হবে। ৬. প্রতিটি পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে হবে। ৭. পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক মোতায়ন করতে হবে।

৮. হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা বিধানে সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ছাত্র-জনতাকে অন্তর্ভুক্ত করে মনিটরিং কমিটি গঠন করতে হবে। জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) এরূপ কমিটি গঠন করবেন। ৯. পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সংশ্লিষ্ট পূজামণ্ডপে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার্থে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতা করতে হবে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিদ্যুৎ বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করার ব্যবস্থা করতে হবে। ১০. সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মোবাইল নম্বর মন্দির বা মণ্ডপ প্রাঙ্গণে দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখার ও জেলা ও উপজেলা সব সরকারি ওয়েবসাইটে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে।

১১. পূজায় বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের ওপর কড়া নজরদারি অব্যাহত রাখাসহ পূজামণ্ডপের ভেতরে ব্যাগ বা সন্দেহজনক কোনো কিছু নিয়ে কেউ যাতে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেদিকে নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রতিমা তৈরি থেকে পূজা সমাপ্তি পর্যন্ত প্রতিটি মন্দির বা মণ্ডপে নিজস্ব উদ্যোগে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ১২. প্রতিমা যেন ভাঙচুর না হয়, সেদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ১৩. প্রতিমা বিসর্জনস্থল ও মণ্ডপগুলোয় পুলিশ ও আনসার মোতায়েন করতে হবে। মণ্ডপে নারী দর্শণার্থীদের স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত করতে হবে। ১৪. স্থানীয় বখাটেদের দ্বারা পূজামণ্ডপে আসা নারীদের উত্ত্যক্ত করা ও ইভটিজিং রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১৫. পূজা চলাকালে পটকা ও আতশবাজি পোড়ানো বন্ধসহ স্থায়ীভাবে আতশবাজির উপকরণ বিক্রি ও পোড়ানো নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ১৬. স্থানীয়ভাবে পূজামণ্ডপের পার্শ্বে উপযুক্ত স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন করা এবং বিসর্জনস্থলে পর্যাপ্ত আলো ও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের ব্যবস্থা রাখতে হবে। ১৭. প্রতিমা বিসর্জনের সময় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল স্ট্যান্ডবাই থাকা এবং ১৮. যেসব পূজামণ্ডপে যাতায়াতের রাস্তা ব্যবহারের অনুপেযোগী, সেসব রাস্তা সাময়িক মেরামতের ব্যবস্থা নিতে হবে।