মূল লেখায় যান
শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ এইমাত্রঅন্যান্য খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টিতে আকস্মিক বন্যা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ বাউফলে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার ৭৫০ হেক্টর, ব্যস্ত কৃষকরা এইমাত্রঅন্যান্য বাউফলে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার ৭৫০ হেক্টর, ব্যস্ত কৃষকরা ২ বছরের শিশুকে রাস্তায় ফেলে পালিয়েছে মা, পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও এইমাত্রঅন্যান্য ২ বছরের শিশুকে রাস্তায় ফেলে পালিয়েছে মা, পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও রাষ্ট্রপতি হওয়ায় মির্জা ফখরুলের সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা এইমাত্রঅন্যান্য রাষ্ট্রপতি হওয়ায় মির্জা ফখরুলের সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় বিজিবি সদস্য নিহত এইমাত্রঅন্যান্য বগুড়ায় ট্রাকের ধাক্কায় বিজিবি সদস্য নিহত সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ‘উদয়পদ্ম’ চারা রোপণ করলেন রাষ্ট্রপতি এইমাত্রঅন্যান্য সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ‘উদয়পদ্ম’ চারা রোপণ করলেন রাষ্ট্রপতি সোমালিয়ায় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি ৬ ভারতীয় নাবিক এইমাত্রঅন্যান্য সোমালিয়ায় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি ৬ ভারতীয় নাবিক বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করল মার্কিন আদালত এইমাত্রঅন্যান্য বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করল মার্কিন আদালত
অন্যান্য

সমস্যা চোখে, ওষুধ দেওয়া হলো পেটব্যথার!

প্রতিবেদক: বাংলা ব্রিফ আপডেট:
সমস্যা চোখে, ওষুধ দেওয়া হলো পেটব্যথার!

চোখের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন বৃদ্ধা। কিন্তু, চোখের ওষুধ না দিয়ে তাকে দেওয়া হলো বাচ্চাদের পেট খারাপের ওষুধ। আর সেই ওষুধ চোখে পড়তেই ঘটে বিপত্তি। চোখ জ্বালা করতে শুরু করে ওই বৃদ্ধার। সম্প্রতি এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে।

জানা যায়, বছর ষাটের ওই বৃদ্ধার নাম হাসি দাশ। তিনি ঝাড়গ্রাম শহরের এক নম্বর ওয়ার্ডের কদমকাননের শিরীষচক এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন এ নারী। তাই চিকিৎসার জন্য গত ১৩ জুন গিয়েছিলেন ঝাড়গ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে।

হাসপাতাল থেকে হাসিকে দুটি চোখের ড্রপ দেওয়া হয়। সেই ওষুধ চোখে দিতেই জ্বালাপোড়া শুরু হয় বৃদ্ধার। এরপর গত ১৯ জুন আবারও হাসপাতালে যান তিনি। গিয়ে চিকিৎসককে আগের ওষুধ দেখান। চিকিৎসক তখন তেমন কিছু না বলে কেবল পুরোনো ওষুধের পরিবর্তে নতুন ওষুধ দেন।

পরে একটি ফার্মেসিতে গিয়ে হাসি পুরোনো ওষুধগুলো দেখালে জানতে পারেন, সেগুলো আসলে শিশুদের পেটব্যথা কমানোর ওষুধ।

এতে হাসপাতালের বিরুদ্ধে চরম ক্ষুব্ধ হন হাসি দাশ। তিনি প্রথমে হাসপাতালের ড্রপবক্সে অভিযোগ জানান। কিন্তু সেখানে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি হাসপাতালের কর্মীরা তাকে চিঠি ফেলতে বাধা দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এরপরও হাসপাতালের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে গত ১০ জুলাই সোজা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ জানান বৃদ্ধা। এরপরেই প্রকাশ্যে আসে গাফিলতির বিষয়টি। নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল সুপার জানিয়েছেন, এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কার গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে তিনি জানান, ভুল ওষুধে বৃদ্ধার চোখে কোনো সমস্যা হয়নি। তিনি দেখতে পাচ্ছেন।

তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গেছে গোটা রাজ্যে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

এই পোস্টে মন্তব্য বন্ধ আছে।