মূল লেখায় যান
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আশুলিয়ায় শ্রমিক সংগঠনের আড়ালে ইউসুফের মাদকের আড্ডা ও বিক্রির অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য আশুলিয়ায় শ্রমিক সংগঠনের আড়ালে ইউসুফের মাদকের আড্ডা ও বিক্রির অভিযোগ একজনও পাস করেনি, নাটোরের ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এইমাত্রঅন্যান্য একজনও পাস করেনি, নাটোরের ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ এইমাত্রঅন্যান্য সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ প্রফেসর ইউনূস জাতির সাথে প্রতারণা করে গেছেন: নুরুল হক নূর এইমাত্রঅন্যান্য প্রফেসর ইউনূস জাতির সাথে প্রতারণা করে গেছেন: নুরুল হক নূর নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন কে, জানালেন আইন মন্ত্রণালয় এইমাত্রঅন্যান্য নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন কে, জানালেন আইন মন্ত্রণালয় তিন দলের নতুন ওয়ানডে টুর্নামেন্ট, সূচি ঘোষণা বিসিবির এইমাত্রঅন্যান্য তিন দলের নতুন ওয়ানডে টুর্নামেন্ট, সূচি ঘোষণা বিসিবির আইন যেখানে ‘মাসোহারা’য় বন্দি: ভালুকায় মহাসড়ক দখলে নিয়েছে অবৈধ থ্রি-হুইলার এইমাত্রঅন্যান্য আইন যেখানে ‘মাসোহারা’য় বন্দি: ভালুকায় মহাসড়ক দখলে নিয়েছে অবৈধ থ্রি-হুইলার বাউফলে কিশোর ব্যবসায়ীকে মারধর, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ এইমাত্রঅন্যান্য বাউফলে কিশোর ব্যবসায়ীকে মারধর, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ
অন্যান্য

অসহায় সাদ্দামের পাশে জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার

প্রতিবেদক:
অসহায় সাদ্দামের পাশে জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটের পাশে ছোট্ট একটি পানের দোকান চালায় সাদ্দাম। বয়স আনুমানিক ১০ বছর। সংসারের হাল ধরতে এই বয়সেই জীবিকার তাগিদে রাস্তায় নেমেছে সে। চার ভাইবোন ও মায়ের দায়িত্ব অনেকটাই তার কাঁধে। পরিবারের খোঁজখবর নেন না বাবা। বড় ভাই জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী। অভাব-অনটনের মধ্যেই পরিবারের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে সাদ্দাম।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে সাদ্দামের জীবনসংগ্রামের খবর প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের। এরপর অসহায় এই শিশুর পাশে দাঁড়ান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহরিয়ার হোসেন।

আজ রবিবার সাদ্দামের সঙ্গে দেখা করে তার খোঁজখবর নেন শাহরিয়ার হোসেন। এ সময় তিনি সাদ্দামের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “সাদ্দামের গল্প শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। যে বয়সে তার স্কুলে থাকার কথা, সেই বয়সে তাকে পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। সমাজের বিত্তবান মানুষ ও দায়িত্বশীলদের এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমার সামর্থ্যের জায়গা থেকে তার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “সাদ্দামের মতো অসংখ্য শিশু দারিদ্র্যের কারণে শৈশব হারাচ্ছে। তাদের শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ছাত্রদল সবসময় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।”

ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন বলেন, “মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই ছাত্রদল পরিবার সাদ্দামের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমরা চাই সমাজের অন্যান্য সংগঠন ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরাও এমন শিশুদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসুক। সম্মিলিত উদ্যোগেই তাদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।”

এদিকে সহায়তা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে সাদ্দাম ও তার পরিবার বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এভাবে এগিয়ে এলে আমাদের মতো পরিবারগুলোর কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।