কারাগারে নেওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে যুবলীগ নেতার মৃত্যু
চট্টগ্রাম কারাগারে নেওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে নুরুল আলম নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
এদিকে নিহত নুরুল আলমের পরিবার অভিযোগ করে বলেছেন, সাতকানিয়া উপজেলার কেরানীহাট কেন্দ্রিক ভূমিদস্যুদের মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে নুরুল আলমকে হত্যা করা হয়েছে।
নুরুল আলম সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ঢেমশা ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ভূমি সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) অফিসে যাওয়ার সময় থানার গেট এলাকা থেকে জেলা ডিবি পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে। পরে থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। এরপর ২০২৪ সালের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে কারাগারে নেওয়া হয়, বুধবার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। কারাগারে নেওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে নুরুল আলমের মৃত্যু হয়।
সাতকানিয়া থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চট্টগ্রামের গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করে। থানায় আনার কয়েক ঘণ্টার মাথায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আমরা তাকে আদালতে পাঠাই। তিনি ভদ্র মানুষ, হাসি-খুশিভাবে আদালতে গেছেন। থানায় নির্যাতনের প্রশ্নই উঠে না।
