মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শরীয়তপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ১০ এইমাত্রঅন্যান্য শরীয়তপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ১০ ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ! এইমাত্রঅন্যান্য ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ! ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েও শুটিংয়ে দীপিকা, রাত পর্যন্ত করছেন অ্যাকশন দৃশ্য এইমাত্রঅন্যান্য ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েও শুটিংয়ে দীপিকা, রাত পর্যন্ত করছেন অ্যাকশন দৃশ্য ৪.১১ জিপিএ পেয়ে পাস, ফল প্রকাশের আগেই না ফেরার দেশে রেজা এইমাত্রঅন্যান্য ৪.১১ জিপিএ পেয়ে পাস, ফল প্রকাশের আগেই না ফেরার দেশে রেজা ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী মোরেলগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলনের পক্ষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত এইমাত্রঅন্যান্য মোরেলগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলনের পক্ষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত লিভারপুলে মালিকানা কিনছেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা বেজোস এইমাত্রঅন্যান্য লিভারপুলে মালিকানা কিনছেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা বেজোস গাজীপুরে গৃহবধূ মৃত্যুর এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামিরা, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন এইমাত্রঅন্যান্য গাজীপুরে গৃহবধূ মৃত্যুর এক মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামিরা, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
অন্যান্য

সরিষাবাড়ীতে ভয়াবহ নদীভাঙন, আতঙ্কে হাজারো পরিবার

প্রতিবেদক:
সরিষাবাড়ীতে ভয়াবহ নদীভাঙন, আতঙ্কে হাজারো পরিবার

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা, ঝিনাই ও সুবর্ণখালী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার পাশাপাশি যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে নতুন করে আতঙ্কে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

গত ২৪ ঘণ্টায় নদ-নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মধ্যে যমুনার তীব্র স্রোতে পিংনা ইউনিয়নের অন্তত তিন থেকে চারটি গ্রামে ভয়াবহ নদীভাঙন শুরু হয়েছে। উপজেলার পৌরসভাসহ সাতপোয়া, পোগলদিঘা, কামরাবাদ, পিংনা ও ভাটারা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

নদীভাঙনে নলসন্ধ্যা, ডাকাতিয়া, মেন্দা, কাঠালতলা ও মিরকুঠিয়া গ্রামের কয়েকশ একর আবাদি জমি, বহু বসতভিটা এবং অসংখ্য গাছপালা ইতোমধ্যে যমুনার গর্ভে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ভাঙনের মুখে রয়েছে অন্তত তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ছয় থেকে সাতটি মাদ্রাসা, কয়েকটি মসজিদ এবং একটি ঈদগাহ মাঠ। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এসব স্থাপনাও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের শিকার হয়ে অনেক পরিবার এলাকা ছেড়ে অন্যত্র বসতি গড়লেও এখনও প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করছে। বারবার ঘরবাড়ি হারিয়েও পৈতৃক ভিটা ছেড়ে যেতে পারছেন না তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ছালেহা বেগম, করিম মণ্ডল, ছাত্তার ও মোকাদ্দেসসহ অনেকেই জানান, চোখের সামনে কৃষিজমি ও বসতভিটা নদীতে বিলীন হতে দেখে তারা অসহায় হয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলে একসময় পুরো গ্রামই যমুনার গর্ভে হারিয়ে যাবে।

এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানা বলেন, “বর্তমানে যে মাত্রায় নদীভাঙন হচ্ছে, তা মোকাবিলার মতো সক্ষমতা এই মুহূর্তে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নেই। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলেও স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। তারা যমুনার ভয়াল ভাঙন থেকে জনপদ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।