মূল লেখায় যান
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে সহায়তা করতে প্রস্তুত রাশিয়া এইমাত্রঅন্যান্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে সহায়তা করতে প্রস্তুত রাশিয়া মার্টিন লুথার কিংয়ের ‘ক্ষমতা’ নিয়ে উদ্ধৃতি শেয়ার করলেন ইশরাকের স্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য মার্টিন লুথার কিংয়ের ‘ক্ষমতা’ নিয়ে উদ্ধৃতি শেয়ার করলেন ইশরাকের স্ত্রী বিদ্যালয়ে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: ববি হাজ্জাজ এইমাত্রঅন্যান্য বিদ্যালয়ে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: ববি হাজ্জাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ১০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে বিশাল উদ্যোগ এইমাত্রঅন্যান্য চট্টগ্রাম বন্দরে ১০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে বিশাল উদ্যোগ নন্দীগ্রামের ৮টি মণ্ডপে পৌরসভার অনুদান বিতরণ এইমাত্রঅন্যান্য নন্দীগ্রামের ৮টি মণ্ডপে পৌরসভার অনুদান বিতরণ পোষা বিড়াল হত্যার বিচার চাইতে থানায় শামসুল এইমাত্রঅন্যান্য পোষা বিড়াল হত্যার বিচার চাইতে থানায় শামসুল সৌদির নিরাপত্তায় সব ধরনের সহায়তা দেবে পাকিস্তান এইমাত্রঅন্যান্য সৌদির নিরাপত্তায় সব ধরনের সহায়তা দেবে পাকিস্তান পটুয়াখালীতে জেন্ডার বৈষম্য, জননিরাপত্তা ও অপতথ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান এইমাত্রঅন্যান্য পটুয়াখালীতে জেন্ডার বৈষম্য, জননিরাপত্তা ও অপতথ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান
বাণিজ্য

এনবিআরের ১৭ কর্মকর্তার সম্পদের খোঁজে দুদক

প্রতিবেদক: স্টাফ রিপোর্টার, বাংলা ব্রিফ
এনবিআরের ১৭ কর্মকর্তার সম্পদের খোঁজে দুদক

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শীর্ষ ১৭ কর্মকর্তার সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

তিনি জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারা তৎসহ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৭ নং বিধির আলোকে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী তাদের সম্পদ ও দায়-দেনার হিসাব বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিশন কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

১৭ কর্মকর্তা হলেন, কর কমিশনার (কর অঞ্চল-৩) এম এম ফজলুল হক, কর আপিল ট্রাইব্যুনালের কমিশনার লোকমান আহমেদ, আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের অতিরিক্ত কর কমিশনার সাহেলা সিদ্দিক, অতিরিক্ত কর কমিশনার মো. মামুন মিয়া, ভ্যাট গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার হাছান তারিক রিকাবদার, যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা সাহরিন সুস্মিতা, কর অ্যাকাডেমির যুগ্ম কর কমিশনার মো. মোরশেদ উদ্দিন খান, কর অঞ্চল ৮-এর অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানা, কর অঞ্চল ১৬-এর উপকর কমিশনার মো. শিহাবুল ইসলাম, অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল রশিদ মিয়া, রেলওয়ে কাস্টমসের কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট পূর্বাঞ্চলের কমিশনার কাজী মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু, এনবিআরের যুগ্ম কমিশনার মো. তারিক হাছান, এনবিআরের সিআইসির সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আলমগীর হোসেন, এনবিআরের সদস্য মো. লুৎফুল আজিম ও সদস্য (আয়কর নীতি) এ কে এম বদিউল আলম।

গত জুলাইয়ে দুদক থেকে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল দুদক। ওই সময়ে দুদকে জমা করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা কর ও শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য নির্ধারিত পরিমাণ কর আদায় না করে তাদের করের পরিমাণ কমিয়ে দিতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি বছর সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

‘কিছু ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা ঘুষ না পেয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মালিককে হয়রানি করেন। অনেক করদাতা আগাম কর দেন। আবার কেউ কেউ বেশি কর দেন। নিয়ম হচ্ছে এই কর হিসাব-নিকাশ করার পর বেশি দেওয়া হলে তা ওই করদাতাকে ফেরত দিতে হয়। কিন্তু তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, করের বাড়তি টাকা ফেরত পেতে আরও অন্তত অর্ধেক টাকা ঘুষ বা উপহারে খরচ হয়।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তারা করের টাকা ফেরত দিতে গিয়ে নিজেরাও কামিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, কয়েক বছর ধরে তারা বিভিন্ন স্টেশনে চাকরিকালীন একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক, ভ্যাট ও ক্ষেত্র বিশেষে আয়কর ফাঁকির সুযোগ করে দিয়ে এবং নিজে লাভবান হয়ে রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মাধ্যমে দুর্নীত, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।

গত ১২ মে এনবিআর বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি বিভাগ করার অধ্যাদেশ জারি করা হয়। মে মাসে প্রায় ১৪ দিন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরে সরকারের আশ্বাসে বাজেট পেশ হওয়ার আগে কর্মসূচি প্রত্যাহার হয়। ফের একই দাবিতে জুন মাসের শেষ সপ্তাহে কর্মসূচি পালন করা হয়।

গত ২৯ জুন ব্যবসায়ীদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন প্রত্যাহার করেন এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।