মূল লেখায় যান
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অন্যান্য

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব ইসির

প্রতিবেদক:
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব ইসির

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খল করতে সংশ্লিষ্ট আইনে একগুচ্ছ সংশোধনী প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাবগুলোতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণ ও বিলখেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার অযোগ্যতার আওতায় আনা, সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা, লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞাসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। এসব প্রস্তাব শিগগিরই স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাবে ইসি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের ১২ তম সভাশেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সিনিয়র সচিবসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইসি সচিব বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সবগুলোর আইনে এটা সেভাবে নেই। কাজেই আমরা মনে করি যে সবগুলোর আইনে এটা যুক্ত করা উচিত। এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি পারবেন না, তো এই বিষয়টা কমিশন মনে করেন যে না, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্যতা হয়।

তিনি বলেন, ঋণ খেলাপি বলে যে বিষয়টা আছে, এখানে দুটো ক্ষেত্র— একটা হচ্ছে বন্ধকদাতা এবং জামিনদার তো যিনি ব্যক্তিগতভাবে বন্ধকদাতা তিনি তো আছেনই, কিন্তু যারা তাদের জামিনদার হয়েছেন তাদেরকেও ঋণ খেলাপি হিসেবে প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য করার একটা প্রস্তাবনা আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি।

সচিব আরও বলেন, পাশাপাশি বিল খেলাপি, যেমন ধরুন আপনার ইলেকট্রিসিটি বিল, ভূমি কর, ওয়াসা— এ ধরনের যে সমস্ত সেবা প্রদানকারী সংস্থা, সেখানে যদি কোন বিল খেলাপি থাকে সেটা ব্যক্তিগত হতে পারে বা প্রাতিষ্ঠানিক হতে পারে। ধরুন আমি একটা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানটাই বিল খেলাপি করেছে, সেক্ষেত্রে এটা অযোগ্যতা হিসেবে আসবে। লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না। আবার দ্বৈত নাগরিকত্বধারী যারা, তাদেরকেও আমরা মনে করি, কমিশন মনে করে যে তাদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই, আপনারা জানেন সংবিধানে এটার একটা সীমাবদ্ধতা দেওয়া আছে।

তিনি আরও বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়গুলো আমরা এখন স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব পাঠাবো, তারা উপযুক্ত মনে করলে ব্যবস্থা নিবেন।