মূল লেখায় যান
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অন্যান্য

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে ফিরলো পুরোনো নিয়ম

প্রতিবেদক:
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে ফিরলো পুরোনো নিয়ম

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিওভুক্ত পদে নিয়োগের সুপারিশের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে অশিক্ষক জনবল নিয়োগে ডিসিদের আর কোনো ভূমিকা থাকছে না।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অশিক্ষক এমপিও পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারির নির্দেশনা আবার কার্যকর করা হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমেই এসব পদে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ একটি পরিপত্র জারি করেছে। মাধ্যমিক শাখার যুগ্মসচিব সাইয়েদ এ জেড এম মোরশেদ আলীর স্বাক্ষরিত পরিপত্রে জানানো হয়, এমপিওভুক্ত বেসরকারি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ এবং স্নাতক (পাস) কলেজে শিক্ষক ছাড়া অন্যান্য এমপিও পদে নিয়োগের সুপারিশ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি জারি করা নির্দেশনা পুনর্বহাল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জারি করা এ সংক্রান্ত পরিপত্র বাতিল করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের নির্দেশনার ২.৪-এর ক, খ ও গ উপধারায় উল্লেখিত অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগসংক্রান্ত অংশ বাদে অন্যান্য অশিক্ষক পদে নিয়োগের বিধান বহাল থাকবে। এসব পদের মধ্যে রয়েছে ট্রেড অ্যাসিসট্যান্ট, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর, গবেষণাগার সহকারী, ল্যাব সহকারী, নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নৈশপ্রহরী, আয়া ও অফিস সহায়ক।

এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষমতা পরিচালনা পর্ষদের কাছ থেকে সরিয়ে নেয়। তখন জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির মাধ্যমে এসব পদে পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন এবং নিয়োগের জন্য সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই কমিটিতে পরিচালনা পর্ষদের কোনো সদস্য থাকার সুযোগ ছিল না।

নতুন পরিপত্রের মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে পুনরায় পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

তবে অতীতে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকায় নতুন ব্যবস্থায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।