মূল লেখায় যান
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ: তাহেরী এইমাত্রঅন্যান্য ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ: তাহেরী নওগাঁর পত্নীতলা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ আটক ১ এইমাত্রঅন্যান্য নওগাঁর পত্নীতলা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ আটক ১ আশুলিয়ায় অবৈধ ছাঁটাই ও বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ এইমাত্রঅন্যান্য আশুলিয়ায় অবৈধ ছাঁটাই ও বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ ১৮ বছর বয়সেই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন জনপ্রিয় আভিনেত্রী এইমাত্রঅন্যান্য ১৮ বছর বয়সেই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন জনপ্রিয় আভিনেত্রী চাঁই ব্যবহার করে পাঙাশের পোনা নিধন, ভবিষ্যতে মাছশূন্যতার আশঙ্কা এইমাত্রঅন্যান্য চাঁই ব্যবহার করে পাঙাশের পোনা নিধন, ভবিষ্যতে মাছশূন্যতার আশঙ্কা সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন‍্য পাথর আমদানি বন্ধ  এইমাত্রঅন্যান্য সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন‍্য পাথর আমদানি বন্ধ  জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তাসনিম জারার কড়া মন্তব্য এইমাত্রঅন্যান্য জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তাসনিম জারার কড়া মন্তব্য বস্ত্র খাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, কমিটি গঠন এইমাত্রঅন্যান্য বস্ত্র খাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, কমিটি গঠন
অন্যান্য

জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তাসনিম জারার কড়া মন্তব্য

প্রতিবেদক:
জামায়াত এমপির ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তাসনিম জারার কড়া মন্তব্য

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের নারীঘটিত ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সারা দেশে তোলপাড়। এবার মুখ খুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা। আমার দেশের পাঠকের জন্য তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

তাসনিম জারা লিখেছেন— সিভি অনুযায়ী তার বয়স মাত্র আঠারো। এসএসসি শেষ হওয়া মাত্রই যেহেতু চাকরি খুঁজছেন, তাই অনুমান করা যায় বাড়িতে অভাব। এই রকম সংসারে একটা চাকরি মানে শুধু চাকরি না। মানে মায়ের ওষুধ, ছোট ভাইয়ের ফিজিক্স টিচারের বেতন, বৃষ্টি এলে যে টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে তা সারানো।

এ দেশে গরিবের চাকরি হয় কীভাবে? পরীক্ষা দিয়ে, লাইনে দাঁড়িয়ে। আর সবশেষে, কোনো ক্ষমতাবান মানুষের দরজায় গিয়ে সুপারিশ নিয়ে। এলাকার সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষটির নাম এমপি সাহেব।

তো একদিন সিভিটা এমপি সাহেবের কাছে পৌঁছাল। হয়তো মেয়েটি নিজে নিয়ে গিয়েছিল, হয়তো পরিবারের কেউ। ভরসা নিয়ে গিয়েছিল। যেভাবে গরিব মানুষ ক্ষমতাবানদের দ্বারস্থ হয়।

সিভিতে সই পড়ল। জোর সুপারিশ করা হলো। কিন্তু সুপারিশের দাম হিসেবে মেয়েটিকে কী দিতে হয়েছে? হয়তো কিছুই না। হয়তো সবকিছু। আমরা জানি না।

আর এই ‘জানি না’-টাই আসল কথা। কারণ যে সম্ভাবনাটা এখন আমাদের সামনে, সেটা কোনো সাধারণ কেলেঙ্কারি না। সম্ভাবনাটা হলো, জামায়াতে ইসলামীর একজন সংসদ সদস্য তাঁর পদের জোর খাটিয়ে একটা অসহায় মেয়েকে একা রুমে নিয়ে গেছেন। চাকরির প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে।

সম্ভাবনা মানে প্রমাণ না, জানি। কিন্তু এই প্রশ্নটা সংসদের এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। যথেষ্ট প্রাথমিক প্রমাণ আমাদের সামনে এসেছে। তদন্ত কমিটি হোক, খতিয়ে দেখা হোক। অভিযোগ মিথ্যা হলে মানুষটা কলঙ্কমুক্ত হবেন। আর সত্য হলে, ‘মহান সংসদ’ নামের মর্যাদাটুকু বাঁচাতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

আর সংসদ যদি চুপ করে থাকে? তাহলে সেই নীরবতার মানে একটাই। এই সংসদ হয়েছে গরিবকে শোষণ করার জন্য। অথবা গরিবের মেয়ে এমপির দরজায় গেলে যা ইচ্ছা তা-ই করার জন্য।

এখানে আরেকটা কথা বলা প্রয়োজন। এই যে সুপারিশের ব্যবস্থা, ক্ষমতাবানের এক লাইনের সইয়ে চাকরি হয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা, এটা কি শুধু এই একটা ঘটনার সমস্যা?

প্রতিটা নির্বাচনে প্রতিটা দল আমাদের কথা দেয়, দুর্নীতিমুক্ত দেশ, জিরো টলারেন্স। অথচ সরকার বদলায়, দল বদলায়, সুপারিশের ব্যবস্থাটা বদলায় না।

এই একটা জায়গায় সব দল একমত। কেন? যার সই ছাড়া চাকরি হয় না, সেই গরিব মানুষটাকে জিম্মি রাখার জন্যই কি? আজকের গল্পটা দেখিয়ে দিল, এই জিম্মিদশার দাম কোথায় গিয়ে ঠেকতে পারে।

এর আগে সোমবার (২০ জুলাই) গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে তার দল জামায়াতে ইসলামী।