বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ৫১তম পুনর্গঠন দিবস পালন
বাংলাদেশ মুসলিম লীগ জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোঃ আকরাম খাঁ মিলনায়তনে আজ ৮ই আগস্ট শনিবার বেলা ১১টায় দলের ৫১তম পুনর্গঠন দিবস পালন করে। শেখ মুজিব স্বাধীনতার পর দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং একদলীয় বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে সকল দল ও চারটি ব্যতীত সকল সংবাদপত্রকে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা করেন। পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তিত হলে প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ খান এ. সবুর সকল মুসলিম লীগকে ঐক্যবদ্ধ করে ৮ই আগস্ট ১৯৭৬ সালে দলটি পুনর্গঠন করেন।
মুসলিম লীগের সভাপতি জুবেইদা কাদের চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতি বলেন, আর যেন স্বৈরাচার সৃষ্টি না হয় সেজন্য সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সেই সাথে তিনি নতুন প্রজন্মকে মুসলিম লীগের পতাকাতলে যোগদান করার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আজাদ পার্টির আহ্বায়ক (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসিনুর রহমান বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদ চিরদিনের জন্য মুছে ফেলতে হবে এবং মুসলিম জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য মুসলিম লীগের কোনো বিকল্প নেই। সাবেক উপাচার্য, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, যদি মুসলিম লীগ সৃষ্টি না হতো, পাকিস্তান হতো না। পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশ হতো না।
ডি.ইউ.জে-এর সভাপতি মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেন, মুসলিম লীগ এই দেশে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন করেছে। মুসলিম লীগ জনগণের কাছে গেলে এখন তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং হারানো জনপ্রিয়তা ফিরে পাবে।
আলোচনায় বাংলাদেশ মুসলিম লীগের স্থায়ী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, অতিরিক্ত মহাসচিব আকবর হোসেন পাঠান, কেন্দ্রীয় নেতা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মোল্লা, আব্দুল খালেক, খন্দকার জিয়াউদ্দিন, ডাঃ খলিল এবং মশিউর রহমান কায়েসসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
