মূল লেখায় যান
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমানের শপথ এইমাত্রঅন্যান্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমানের শপথ মা-বাবা ভুল পথে চললে সন্তানের করণীয় এইমাত্রঅন্যান্য মা-বাবা ভুল পথে চললে সন্তানের করণীয় মালয়েশিয়ায় ‘ফ্লাইং ডক্টর’ সেবার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, কি ঘটে ছিল? এইমাত্রঅন্যান্য মালয়েশিয়ায় ‘ফ্লাইং ডক্টর’ সেবার হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, কি ঘটে ছিল? সরকারী নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ এইমাত্রঅন্যান্য সরকারী নিয়োগে দলীয়করণ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ ইরানকে সাহায্য করায় ৩৬ প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এইমাত্রঅন্যান্য ইরানকে সাহায্য করায় ৩৬ প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিশুর বারবার পেটের সমস্যা, বমি? কোন ৩ পানীয় দিতে পারেন এইমাত্রঅন্যান্য শিশুর বারবার পেটের সমস্যা, বমি? কোন ৩ পানীয় দিতে পারেন তারেক রহমানের যোগদান নিয়ে যে তথ্য দিলো ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এইমাত্রঅন্যান্য তারেক রহমানের যোগদান নিয়ে যে তথ্য দিলো ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের ১২ উপজেলায় নতুন ইউএনও নিয়োগ দিল সরকার এইমাত্রঅন্যান্য দেশের ১২ উপজেলায় নতুন ইউএনও নিয়োগ দিল সরকার
অন্যান্য

এবার সালমান শাহ হত্যায় আসামি হতে পারেন ডলি জহুর

প্রতিবেদক:
এবার সালমান শাহ হত্যায় আসামি হতে পারেন ডলি জহুর

প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে দায়ের হওয়া হত্যা মামলার তদন্তে অভিনেত্রী ডলি জহুরসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী। তদন্তে প্রয়োজন হলে তাদের কাউকে মামলায় আসামি করার বিষয়টিও বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ছেলের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে নীলা চৌধুরীর বক্তব্য, সালমান শাহর মৃত্যুর দিনের ঘটনা সম্পর্কে চলচ্চিত্র অঙ্গনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানেন। তাই মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।

ডলি জহুরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সালমান শাহর মৃত্যুর দিন কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে ডলি জহুর অনেক কিছু জানেন বলে তিনি মনে করেন। বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমেও ওই দিনের ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন ডলি। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে দাবি নীলা চৌধুরীর। একই সঙ্গে সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হকের সঙ্গে ডলি জহুরের যোগাযোগের বিষয়টিও তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ডলি জহুরের পাশাপাশি বাদল খন্দকারসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন সালমানের মা। তার দাবি, এসব ব্যক্তির কাছ থেকেও সালমানের মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

তদন্তে তাদের কাউকে আসামি করার সম্ভাবনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নীলা চৌধুরী বলেন, তদন্তে প্রয়োজন মনে হলে আইনগতভাবে সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

ডন হক গ্রেপ্তারের পর নতুন করে আলোচনা
সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পর দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। মামলার অন্যতম আসামি অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন হককে সম্প্রতি গ্রেপ্তারের পর তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন নীলা চৌধুরী।

গত ১০ আগস্ট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডন হককে আটক করা হয়। তাকে আটক করতে অভিনেতা ডিপজলের সহযোগিতার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ডিপজলের সঙ্গে সরাসরি কথা না হলেও তাকে মামলায় সাক্ষী হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়েছেন নীলা চৌধুরী।

তার ভাষ্য, সালমান শাহর মৃত্যুর সময় চলচ্চিত্র অঙ্গনে সক্রিয় থাকা অনেকেই সে সময়ের বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারেন। তদন্তকারীরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটনে তা সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে ডন হককে গ্রেপ্তারে সহযোগিতা করায় ডিপজলকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে চলতি বছরের চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ডন হকের ভোট দেওয়ার বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নীলা চৌধুরী। এ ঘটনায় শিল্পী সমিতির বর্তমান সভাপতি শিবা শানুর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলে বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। হত্যা মামলার একজন আসামি কীভাবে এফডিসিতে এসে ভোট দিলেন এবং তাকে কেউ সহযোগিতা করেছেন কি না—সেটিও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

১১ আসামিকে ঘিরে তদন্ত
সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পর ২০২৫ সালে আদালতে হত্যা মামলা করা হয়। মামলায় তার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, অভিনেতা ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সামিরার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু এবং রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা, তাদের ভূমিকা এবং আইনগত দায় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।