মূল লেখায় যান
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা এইমাত্রঅন্যান্য কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অস্কারের দৌড়ে ছয় সিনেমা এইমাত্রঅন্যান্য ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব থেকে অস্কারের দৌড়ে ছয় সিনেমা আ.লীগকে ফেরাতে সরকারের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে: পরওয়ার এইমাত্রঅন্যান্য আ.লীগকে ফেরাতে সরকারের একাংশ ষড়যন্ত্র করছে: পরওয়ার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের এইমাত্রঅন্যান্য ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের বুড়িচংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১, তিনজনের কারাদণ্ড এইমাত্রঅন্যান্য বুড়িচংয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১১, তিনজনের কারাদণ্ড সেই ৬৩ বিদেশির সহযোগী মহসিন কোকেন মামলায় গ্রেফতার এইমাত্রঅন্যান্য সেই ৬৩ বিদেশির সহযোগী মহসিন কোকেন মামলায় গ্রেফতার ফ্রান্সে বসেই দেশে ডাকাতচক্র চালাতেন ‘ফ্রান্স নাসির’ এইমাত্রঅন্যান্য ফ্রান্সে বসেই দেশে ডাকাতচক্র চালাতেন ‘ফ্রান্স নাসির’ কুড়িগ্রামে কৃষি কর্মকর্তার ওপর হামলা: মামলা, গ্রেপ্তার ২ এইমাত্রঅন্যান্য কুড়িগ্রামে কৃষি কর্মকর্তার ওপর হামলা: মামলা, গ্রেপ্তার ২
অন্যান্য

রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হলো ঋণের টাকায় চাষ করা লাউগাছ, খেতেই স্ত্রীর কান্না

প্রতিবেদক:
রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হলো ঋণের টাকায় চাষ করা লাউগাছ, খেতেই স্ত্রীর কান্না

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে রাতের আঁধারে এক কৃষকের লাউখেতের সব গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে লাউ চাষ করা কৃষক শরণ্যচন্দ্র বর্মন ও তাঁর পরিবার চরম বিপাকে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ক্ষতিগ্রস্ত খেতের পাশে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন কৃষকের স্ত্রী মাধবী রানী।

​উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের হার্টশহর গ্রামের সোনারপাড়া ফসলি মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ১৬ শতাংশ জমিতে চাষ করা লাউগাছগুলো কাটা অবস্থায় পড়ে আছে। খেতের পাশে বসেই হতাশা প্রকাশ করছিলেন কৃষক শরণ্যচন্দ্র বর্মন ও তাঁর স্ত্রী। ​কৃষক শরণ্যচন্দ্র জানান, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ১৬ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে তিনি লাউ চাষ করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার সকালে খেতে গিয়ে দেখেন গাছগুলো নুয়ে পড়েছে। কাছে গিয়ে দেখতে পান, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা সব লাউগাছের গোড়া কেটে দিয়ে গেছে। লাউ ধরার আগেই গাছগুলো কেটে দেওয়ায় তাঁর পুরো পরিশ্রম ও বিনিয়োগ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ঋণের টাকা পরিশোধ করা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি। ​কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাধবী রানী বলেন,ঋণ নিয়ে জমি বর্গা নিয়েছিলাম। শত্রুতামূলকভাবে আমাদের সব গাছ কেটে ফেলা হলো। ঘরে মেয়েসন্তানের লেখাপড়ার খরচসহ সংসার কীভাবে চালাব, তার কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছি না। ​স্থানীয় কৃষক মিজানুর রহমান এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

​ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী সেহানবীশ জানান, ক্ষতির সরাসরি সরকারি ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না থাকলেও ওই কৃষককে ভবিষ্যতে সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

​ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।