জয়পুরহাটে মোবাইল ফুড সেফটি ল্যাবের অভিযান
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জয়পুরহাটে আধুনিক মোবাইল ফুড সেফটি ল্যাব দিয়ে স্ট্রিট ফুডের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে। একই সঙ্গে খাবার তৈরিতে ক্ষতিকর রং, অনুমোদনহীন রাসায়নিক ও বারবার ব্যবহৃত পোড়াতেল না দেওয়ার বিষয়ে বিক্রেতাদের সতর্ক করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জয়পুরহাট জেলা সার্কিট হাউস মাঠ এলাকায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুমাইয়া আফরিন জিনিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রমে সার্কিট হাউস মাঠে বিভিন্ন ধরনের খাবার বিক্রি করা হয়ে থাকে। এসব ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে ঘটনাস্থলেই অত্যাধুনিক মোবাইল ফুড সেফটি ল্যাবের মাধ্যমে সেসব নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
এ সময় নিরাপদ খাদ্য আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য বিক্রেতাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। খাবারে ক্ষতিকর টেক্সটাইল রং, হাইড্রোজ, ঘনচিনি ও অনুমোদনহীন কেমিক্যাল ব্যবহার না করার বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়।
এ ছাড়া একই তেল বারবার ব্যবহার করে খাবার তৈরির ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন, খবরের কাগজে খাবার পরিবেশন না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ, বাসি ও পচা খাবার বিক্রি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুমাইয়া আফরিন জিনিয়া বলেন, “জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে রাস্তার পাশে খোলা খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। ব্যবসায়ীদের সতর্ক করার পাশাপাশি মোবাইল ল্যাবের মাধ্যমে ঘটনাস্থলেই খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আনিছুর রহমান এবং জয়পুরহাট সদর উপজেলার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আব্দুল হামিদ।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের মোবাইল ল্যাবভিত্তিক পরীক্ষা, নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে এমন প্রত্যাশার কথা জানান স্থানীয় ভোক্তারা। শাহাদুল ইসলাম সাজু জয়পুরহাট মোবাঃ০১৭১২৫৮৮১০০
