মূল লেখায় যান
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘বিএনপির কর্মী হতে এইচএসসি পরীক্ষায় ৩.৫০ থাকতে হবে’ এইমাত্রঅন্যান্য ‘বিএনপির কর্মী হতে এইচএসসি পরীক্ষায় ৩.৫০ থাকতে হবে’ মার্কিন শীর্ষ কর্তাদের হত্যার পরিকল্পনা করছে ইরান, গোয়েন্দা তথ্যে চাঞ্চল্য এইমাত্রঅন্যান্য মার্কিন শীর্ষ কর্তাদের হত্যার পরিকল্পনা করছে ইরান, গোয়েন্দা তথ্যে চাঞ্চল্য দামুড়হুদায় ১ হাজার ৫০০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ, গোডাউন সিলগালা এইমাত্রঅন্যান্য দামুড়হুদায় ১ হাজার ৫০০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ, গোডাউন সিলগালা লাঠিসোঁটা হাতে বাংলাদেশি কৃষকদের প্রতিরোধ, পিছু হটল বিএসএফ এইমাত্রঅন্যান্য লাঠিসোঁটা হাতে বাংলাদেশি কৃষকদের প্রতিরোধ, পিছু হটল বিএসএফ বিসিবি সরিয়ে দিলো আশরাফুলকে, তিনি জানালেন ‘থ্যাংক ইউ’ এইমাত্রঅন্যান্য বিসিবি সরিয়ে দিলো আশরাফুলকে, তিনি জানালেন ‘থ্যাংক ইউ’ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর এইমাত্রঅন্যান্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিরোধের জেরে কেন্দুয়ায় শিবিরের দুই নেতা আহত এইমাত্রঅন্যান্য ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিরোধের জেরে কেন্দুয়ায় শিবিরের দুই নেতা আহত যশোরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দিলু পাটোয়ারী আটক এইমাত্রঅন্যান্য যশোরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দিলু পাটোয়ারী আটক
অন্যান্য

শেরপুর জেলা দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদক:
শেরপুর জেলা দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

শেরপুর জেলা দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মো. খলিল মিয়া সভাপতি এবং আ. হামিদ মিয়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে জয়ী হন।

সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা শহরের নিউমার্কেটে শেরপুর জেলা বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কার্যালয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। ইউনিয়নের ৩৯১ জন ভোটারের মধ্যে ৩৬২ জন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৯২ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তত্ত্বাবধানে ভোট গণনা করা হয়। এতে সভাপতি পদে আনারস প্রতীকে মো. খলিল মিয়া ১৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সোহেল মিয়া গরুর গাড়ি প্রতীকে ১৫৪ ভোট এবং সৈয়দ আল মামুন সাইকেল প্রতীকে ২৭ ভোট পান। সাধারণ সম্পাদক পদে ছাতা প্রতীকে আ. হামিদ মিয়া ১৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। মাত্র দুই ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সাবু মিয়া। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৭৩ ভোট। এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ফুটবল প্রতীকে মো. আরিফ মিয়া ১৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রাসেল মিয়া হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬৫ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে বই প্রতীকে মো. রনি মিয়া ১৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. বাদশা মিয়া দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৫৫ ভোট। ইউনিয়নের ১১টি পদের মধ্যে চারটি পদে মোট নয়জন প্রার্থী সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বাকি সাতটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট আলমগীর কিবরিয়া কামরুল।