মূল লেখায় যান
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নারী কৃষকের জন্য সুনির্দিষ্ট অভিযোজন অর্থায়নের দাবি এইমাত্রঅন্যান্য নারী কৃষকের জন্য সুনির্দিষ্ট অভিযোজন অর্থায়নের দাবি বাংলাদেশি দুই পুলিশকে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যা বলছে বিজিবি এইমাত্রঅন্যান্য বাংলাদেশি দুই পুলিশকে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যা বলছে বিজিবি ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৫ এইমাত্রঅন্যান্য ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ৫ মোংলায় কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৭০তম জন্মবার্ষিকী পালন, স্বাধীনতা পদকের দাবি এইমাত্রঅন্যান্য মোংলায় কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ৭০তম জন্মবার্ষিকী পালন, স্বাধীনতা পদকের দাবি নড়াইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল নারীর এইমাত্রঅন্যান্য নড়াইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল নারীর শীত আসছে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর এইমাত্রঅন্যান্য শীত আসছে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের চোখে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড সরকারের কাযর্করী পদক্ষেপ এইমাত্রঅন্যান্য বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের চোখে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড সরকারের কাযর্করী পদক্ষেপ দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জামায়াত আমিরের আহ্বান এইমাত্রঅন্যান্য দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জামায়াত আমিরের আহ্বান
অন্যান্য

শেরপুর জেলা দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদক:
শেরপুর জেলা দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত

শেরপুর জেলা দর্জি শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মো. খলিল মিয়া সভাপতি এবং আ. হামিদ মিয়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে জয়ী হন।

সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা শহরের নিউমার্কেটে শেরপুর জেলা বেসিক ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের কার্যালয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। ইউনিয়নের ৩৯১ জন ভোটারের মধ্যে ৩৬২ জন তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৯২ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির তত্ত্বাবধানে ভোট গণনা করা হয়। এতে সভাপতি পদে আনারস প্রতীকে মো. খলিল মিয়া ১৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সোহেল মিয়া গরুর গাড়ি প্রতীকে ১৫৪ ভোট এবং সৈয়দ আল মামুন সাইকেল প্রতীকে ২৭ ভোট পান। সাধারণ সম্পাদক পদে ছাতা প্রতীকে আ. হামিদ মিয়া ১৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। মাত্র দুই ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সাবু মিয়া। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৭৩ ভোট। এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ফুটবল প্রতীকে মো. আরিফ মিয়া ১৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রাসেল মিয়া হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬৫ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে বই প্রতীকে মো. রনি মিয়া ১৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মো. বাদশা মিয়া দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৫৫ ভোট। ইউনিয়নের ১১টি পদের মধ্যে চারটি পদে মোট নয়জন প্রার্থী সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

বাকি সাতটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট আলমগীর কিবরিয়া কামরুল।