মূল লেখায় যান
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন: থাকছে নতুন নির্দেশনা এইমাত্রঅন্যান্য ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন: থাকছে নতুন নির্দেশনা গাড়িতে গুলির ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিলেন আসিফ আকবর এইমাত্রঅন্যান্য গাড়িতে গুলির ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নিলেন আসিফ আকবর পুলিশ বাহিনীকে আগে পরিষ্কার করতে চাইলেন আইজিপি এইমাত্রঅন্যান্য পুলিশ বাহিনীকে আগে পরিষ্কার করতে চাইলেন আইজিপি ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু এইমাত্রঅন্যান্য ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু কোন পতিত-পলাতক শক্তির অপতৎপরতা মেনে নেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এইমাত্রঅন্যান্য কোন পতিত-পলাতক শক্তির অপতৎপরতা মেনে নেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক'র পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ এইমাত্রঅন্যান্য ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক'র পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ নেত্রকোনায় ‘নারীনেত্র কারুপণ্য’ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সহযোগিতার আশ্বাস এইমাত্রঅন্যান্য নেত্রকোনায় ‘নারীনেত্র কারুপণ্য’ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সহযোগিতার আশ্বাস গ্যাস সঙ্কটে পুরোপুরি বন্ধ যমুনা সারকারখানা এইমাত্রঅন্যান্য গ্যাস সঙ্কটে পুরোপুরি বন্ধ যমুনা সারকারখানা
অন্যান্য

পঞ্চগড়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

প্রতিবেদক:
পঞ্চগড়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে চরম গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকরা। নিয়মিত কৃষক গ্রুপের সঙ্গে সভা না করা, ফসলের রোগবালাইয়ে পরামর্শ না দেওয়া এবং মাঠ পর্যায়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

কৃষি বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে সপ্তাহে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে একদিন উপজেলা অফিসে সাপ্তাহিক সভা, একদিন প্রদর্শনী ক্ষেত তদারকি এবং বাকি তিন দিন কৃষক গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে আলোচনা ও পরামর্শ প্রদানের কথা। তবে বড়শশী ইউনিয়নের চিলাপাড়া, ডাঙ্গাপাড়া, কোনাবালাপাড়া, সর্দারপাড়া, বালাপাড়া, মায়াপাড়া, অমরখানা ও সবুজপাড়া গ্রামের কৃষকদের অভিযোগ, গত ছয় বছর ধরে দায়িত্বরত আসাদুজ্জামানকে তারা নিয়মিত এলাকায় দেখেন না।

মায়াপাড়া গ্রামের কৃষক তরিকুল ইসলাম জানান, তিনি ২২ বিঘা জমিতে ধান ও সবজি চাষ করলেও কখনো এই কর্মকর্তার দেখা পাননি বা কোনো পরামর্শও পাননি। একই অভিযোগ করেন অমরখানা গ্রামের বাবুল হোসেন ও মায়াপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিল। দুলাল ইসলাম নামের এক কৃষক তার পোকা আক্রান্ত ধানক্ষেত দেখিয়ে বলেন, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হলেও কৃষি কর্মকর্তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এছাড়া আনারুল ইসলাম ও মঞ্জুরুল ইসলামসহ একাধিক কৃষক জানান, পরামর্শের অভাবে তারা সঠিক নিয়মে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে পারছেন না, যার ফলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, ‘অনেক কৃষক আমাকে চিনতে না পারলেও যারা যোগাযোগ করেন, তাদের আমি পরামর্শ দেই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা।’

এ বিষয়ে বোদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুন্নবী রাশেদ বলেন, ‘কৃষকদের অভিযোগের বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। অভিযুক্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’